আশুলিয়ায় কলেজ শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে হত্যাকারী ছাত্র জিতু ছিলো কিশোর গ্যাং লিডার। ঘটনার সময় জিতু কলেজের বিদ্যুৎ এর মূল সুইচ বন্ধ করে হামলা চালায়। যাতে সিসি টিভি অকার্যকর থাকে৷ এদিকে মঙ্গলবার শিক্ষক হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। ঘটনার ৪ দিনেও গ্রেফতার হয়নি অভিযুক্ত জিতুসহ কোন আসামী।
প্রকাশ্যে শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে এভাবে ছাত্র জিতু পিটিয়ে মেরে ফেলার ঘটনার পর থেকে আতংকিত অভিভাবকরা। তারা এ ঘটনার বিচার দাবী করছেন।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিক্ষোভ ও মানব বন্ধন করে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ শাখার উপ পরিদর্শক রবিউল আলম সরেজমিনে কলেজে আসেন।
একাত্তরের অনুসন্ধানে জানা যায়, জিতু ছিলো অনেকটাই বেপরোয়া। তার নেতৃত্বে একটি গ্রুপ চলতো। সবার বসয় প্রায় ১৭ থেকে ১৮ এর ভেতর। কিশোর গ্যাংয়ের লিডারের মতই জিতুর চলাফেরা ছিল। গ্যাংয়ের সবাই জিতুকে সবাই ‘জিতু দাদা’ বলেই চেনে। তার ফেসবুকেও জিতু দাদা নাম রয়েছে। কলেজটির পরিচালক মো. সুমন তিনি জিতুর বাবা উজ্জ্বল হাজীর মামাতো ভাই। সেই ক্ষমতাই জিতুর ওপর কেউ কথা বলতে পারতো না। এই সুবাদে জিতু নানা অপকর্ম করে বেড়াত।
স্কুলে জিতুর বিশৃঙ্খলার বিষয়ে অনেকবার তাকে নিয়ে বসা হলেও কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি শিক্ষকরা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ঘটনার পর পরই অভিযুক্ত ছাত্র জিতুর বাবা উজ্জল হাজী কলেজে উপস্থিত হন। এতে তারাও আতংকিত হয়ে পড়ে।
উল্লেখ্য, শনিবার কলেজ ক্যাম্পাসে ইভটিজিং এর প্রতিবাদ করায় আশুলিয়ার চিত্রাশাইলে হাজী ইউনুস আলী স্কুল এন্ড কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের প্রভাষক উৎপল কুমার সরকারকে ওই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র আশরাফুল ইসলাম জিতু ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে আঘাত করে। গত সোমবার সাভারের এনাম মেডিকেলে আহত ওই কলেজ শিক্ষক মারা যান
একাত্তর/এসএ
