গাজীপুরের ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে শুক্রবার (৮ জুলাই) সকাল থেকেই ঈদে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় জমে যায়। চন্দনা চৌরাস্তা থেকে কয়েক কিলোমিটার ধরে যানবাহন চলাচল করতে থাকে থেমে থেমে।
একই চিত্র দেখা গেছে কোনাবাড়ী থেকে শুরু করে কালিয়াকৈর পর্যন্ত। এরপরও বিপুল সংখ্যক লোকজনের তুলনায় যানবাহনের সংখ্যা ছিল কম। কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও যানবাহনে চড়তে পারছেন না হাজারো নারী-পুরুষ।

যানবাহন সংকটের কারণে ট্রাক-পিকআপসহ নানা ধরনের যানবাহনে তার ছুটে যাচ্ছেন গন্তব্যে।
এদিকে, এই সুযোগে ঘরমুখো মানুষকে জিম্মি করে চার থেকে পাঁচগুণ ভাড়া বাড়িয়ে নিচ্ছে বাসসহ অন্যান্য যানবাহন। গাজীপুর থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত ভাড়া নিচ্ছে ৬০০ টাকা, শেরপুরের ভাড়া এক হাজার টাকা!

অনন্যোপায় মানুষ ভোগান্তি আর অতিরিক্ত ভাড়া গুনেই ছুটছেন তাদের গন্তব্যে।
একই রকম চিত্র দেখা গেছে সাভারের নবীনগর বাসস্ট্যান্ডেও।
ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, চন্দ্রা-বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়কে তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। ঈদে ঘরে ফিরতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও বাস পাচ্ছেন না যাত্রীরা। এ সুযোগে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে কয়েকগুন৷ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানেই অসহনীয় দুর্ভোগে ছুটছে যাত্রীরা৷

বৃহস্পতিবার শিল্প কারখানা ছুটি হওয়ায় শ্রমিকরা বাড়ি ফিরতে শুরু করেন। শুক্রবার (৮ জুলাই) সকাল থেকেই নবীনগর এলাকায় ঘরমুখো যাত্রীদের স্রোত দেখা গেছে৷ বাস সংকটের বিষয়ে বাসচালকরা জানান যানজটের কথা।
আর কয়েকগুণ ভাড়া আদায় করার বিষয়ে বাস কাউন্টার সংশ্লিষ্টরা জানালেন, ঈদে এরকম হয়ে থাকে।
সাভার ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সালামের দাবী যানজট নিয়ন্ত্রণে আছে।তবে সব রাস্তায় সমস্যার কথা জানালেন তিনি।
একাত্তর/জো
