খাগড়াছড়িতে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য্যে মঙ্গলবার (১২ জুলাই) শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা পালন করছে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীরা ।
বুদ্ধের সময়ে আষাঢ়ী পূর্ণিমা তিথিকে কেন্দ্র করে তিনটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে। উল্লেখযোগ্য তিনটি ঘটনা হলো- গৌতম বুদ্ধ মাতৃগর্ভে প্রতিসন্ধি লাভ, রাজপ্রাসাদ, রাজত্ব ও স্ত্রীপুত্রের মায়া ত্যাগ করে দুঃখ থেকে মুক্তির পথ অন্বেষণে গৃহত্যাগ ও বুদ্ধত্ব লাভের পর পঞ্চবর্গীয় শিষ্যদের উদ্দেশ্যে প্রথম ধর্মের বাণী প্রচার।
এই ঘটনাগুলোকে উপলক্ষ্য করে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীরা দিনটি পালন করে থাকে। এই দিনটি বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।

এই আষাঢ়ী পূর্ণিমার পরবর্তী তিন মাস বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বর্ষাবাস শুরু করেন। এ সময় ভিক্ষুরা জরুরী কোন কারন ছাড়া বিহারের বাইরে রাত্রিযাপন করতে পারেন না। এই তিন মাস বৌদ্ধ ভিক্ষুরা ধর্ম বিনয় অধ্যায়ন ও ধ্যান চর্চা করে থাকেন। এই তিন মাস বর্ষাবাস শেষ হওয়ার পর প্রবারনা পূর্ণিমা উদযাপনের মধ্যে দিয়ে শুরু মাস ব্যাপী কঠিন চীবরদানোৎসব।
আষাঢ়ী পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে ধর্মপুর আর্য বন বিহার, জনবল বৌদ্ধ বিহার, য়ংড বৌদ্ধ বিহাসহ বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
একাত্তর/এসএ
