খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) খন্দকার লাবণী আক্তারের ‘গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার’ ঘটনায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
তার আত্মহত্যার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তার সাবেক দেহরক্ষী কনস্টেবল মাহামুদুলের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায় মাগুরা শহরের পুলিশ লাইনস ব্যারাকের চার তলার ছাদে। তিনি সরকারি রাইফেল দিয়ে নিজের মাথায় গুলি করে ‘আত্মহত্যা’ করেন বলে মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, পৃথক ঘটনা দুটির রহস্যজট খুলতে কাজ করছে পুলিশ। দুটি ঘটনার কোনো যোগসূত্র আছে কিনা সেটি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জানা গেছে, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা সদরের এজাজুল হকের ছেলে মাহমুদুল আগে ছিলেন খুলনা মহানগর পুলিশে। দেড় মাস আগে তিনি বদলি হয়ে মাগুরায় আসেন।
মাহমুদুল খুলনায় এডিসি লাবনী আক্তারের দেহরক্ষী হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
এদিকে এডিসি লাবনী আক্তারের শ্রীপুর উপজেলার বড়ালিদাহ গ্রামের শফিকুল আজম জানান, লাবণী মাগুরায় তার নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে বুধবার (২০ জুলাই) রাতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বাড়ির লোকজন টের পেয়ে তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ক্যান্সার আক্রান্ত স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বনিবনা না হওয়ার হতাশা থেকে লাবণী আত্মহত্যা করেছেন বলে জানান তার বাবা।
জানা গেছে, লাবনীর শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুর শহরে। তার স্বামী তারেক আবদুল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন সহকারী পরিচালক (এডি)। তিনি চিকিৎসার জন্য ভারতে রয়েছেন।
একাত্তর/জো
