নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় পুকুর থেকে এক রিকশা চালক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে তাৎক্ষণিক পুলিশ এ মৃত্যুর কোন কারণ জানাতে পারেনি। মরদেহ উদ্ধারের আগে নিখোঁজ ছিল ওই কিশোর।
নিহত মো.সৌরভ হোসেন (১৪) পার্শ্ববর্তী লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চরগজারিয়া গ্রামের দিদার হোসেনের ছেলে।
শুক্রবার (২২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বারাহীননগর গ্রামের আমিশা পাড়া কলেজ সংলগ্ন হিন্দু পাড়ার একটি পুকুর থেকে পুলিশ এ মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সৌরভ হোসেন তার পরিবারের সঙ্গে সোনাইমুড়ী উপজেলার বারাহীনগর গ্রামের ফিরোজ মিয়ার বাড়িতে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। সে পেশায় একজন ব্যাটারি চালিত রিকশা চালক ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে সে বাসা থেকে রিকশা নিয়ে বের হয়ে যায়। এরপর সে আর বাসায় ফেরেনি। পরে ওইদিন রাতে সৌরভের বাবা সোনাইমুড়ী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে সৌরভের লাশ পুকুরে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে বিকেল ৫টার দিকে সোনাইমুড়ী থানার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের সুরতহাল রিপোর্ট সম্পন্ন করে। তার শরীরে কোন আঘাতের চিহৃ ছিল না। শরীরে মুখের অংশ পানিতে ছিল। এক পা পানিতে ছিল আরেক পা মাটির ওপরে ছিল।
ওসি আরো জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যু আসল কারণ জানা যাবে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় আইনগত প্দক্ষেপ নেওয়া হবে।
একাত্তর/এসএ
