লম্বা ছুটির ফাঁদে পড়েছে দেশ। সেই সুযোগে পর্যটকে মুখর কক্সবাজার। সমুদ্রের জলে উল্লাসে মেতেছেন তারা। কিন্তু একসাথে বেশি মানুষ জড়ো হওয়ায় তৈরি হয়েছে নানা বিপত্তি।
পর্যটকদের অনেকেই রুম ভাড়া বেশি আদায়ের অভিযোগ করেছে হোটেল ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। তবে. হোটেল ব্যবসায়ীরা বলছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কারণে এই অবস্থা তৈরি হয়েছে।
টানা কয়েক দিনের ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে লাবণী পয়েন্ট এখন ভরে আছে পর্যটকে। সমুদ্রের ঢেউয়ে উল্লাসে মেতেছেন সবাই।
ঘোড়ায় চড়ে কেউ হয়েছেন হর্ষারোহী, আর জেট-স্কি নিয়ে গভীর সাগরে যেতে পেরে কেউ মেতেছেন অ্যাডভেঞ্চারে। লোনা জলে ভিজে কাটাচ্ছেন ছুটির দিনগুলো।
তবে, শিশুদের খেলার উপকরণ সৈকতের বালিয়াড়ী। বালি দিয়ে শিশুরা বানিয়ে ফেলছে নানা স্থাপনা। বালিতে ছোট বড়দের এই উচ্ছ্বাস সীমাহীন।
কিন্তু অভিযোগও আছে পর্যটকদের। সুযোগে বুঝে রুম ভাড়া বেশি নিচ্ছেন হোটেল ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, এখানে আসার আগে যা বলা হয়েছিলো, সেটি মানছেন না ব্যবসায়ীরা।
তবে, অভিযোগ অস্বীকার করছেন হোটেল ব্যবসায়ীরা। বলছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা এ পরিস্থিতি তৈরি করছে। তবে পর্যটকদের বাড়তি চাপ সামাল দিতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে তিন ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা
নিরাপত্তার ঘাটতি রাখছেন না সৈকতের লাইফগার্ড কর্মীরা। তবে তাদের অভিযোগ, পর্যটকরা অনেকেই নিষেধ না শুনে সাগরের বিপদ সীমায় চলে যাচ্ছেন।
টানা ছুটি শেষ হচ্ছে রোববার। পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বেশিরভাগ হোটেল ও গেস্টহাউস বুকিং হয়েছিলো। ছুটিতে দুই লাখ পর্যটক এসেছেন কক্সবাজারে।
একাত্তর/এসি
