নেত্রকোনার কলমাকান্দা সীমান্তে সুপারির বস্তা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী কাঁঠালবাড়ি নামক এলাকায় জাকরেসের দোকানঘরের সামনে সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, নিহত হেলাল উদ্দিন (৪৫) উপজেলার লেংগুরা ইউনিয়নের দক্ষিণ তারানগর গ্রামের ফালু মিয়ার ছেলে।
আহতরা হলেন- আলমগীর হোসেন (২২), রাব্বুল মিয়া (২০) ও আবু সাঈদ (২৫)। এদের মধ্যে আলমগীর হোসেনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাঠালবাড়ি এলাকার হারজিত (২২) ও প্রদীপ হাজং (২৫) নামের দুইজনকে পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে উপজেলার কাঠালবাড়ি এলাকার জাকরেসের বাড়ির সামনে গারো শ্রমিক সিরাক (২২) ও বাঙ্গালী শ্রমিক রাব্বুলের (২৩) মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সিরাক ও রাব্বুলের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় সংঘর্ষে রাব্বুলের পক্ষের হেলাল উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত হন তার পক্ষের আরও তিন ব্যক্তি।
নিহত শ্রমিকের ছোট ভাই আলাল অভিযোগ করে বলেন, সুপারির বস্তা ভাগাভাগি করাকে কেন্দ্র করে সিরাকের পরিবারের লোকজনসহ স্থানীয় লোকজন তাদেরকে ঘেরাও করে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার ভাইকে হত্যা করেন।
আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিজিবি সদস্য নিহত
এ বিষয়ে গারো শ্রমিক সিরাক ও তার পরিবারের লোকজনের সাথে যোগাযোগ চেষ্টা করা হলেও ঘটনার পর বাড়িতে না থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম (পিপিএম) জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
শুক্রবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার তদন্ত চলছে।
একাত্তর/এসজে
