করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় নোয়াখালী পৌরসভা ও ছয়টি ইউনিয়নে চলমান লকডাউন আরও সাত দিন বাড়িয়েছে জেলা প্রশাসন। চলমান লকডাউন ১৮ জুন রাত ১২টায় শেষ হলে শনিবার (১৯ জুন) ভোর ছয়টা থেকে আগামী ২৫ জুন (শুক্রবার) রাত ১২ টা পর্যন্ত নতুন লকডাউন চলবে।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) বিকেলে নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের কক্ষে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
জেলা প্রশাসক ও করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান একাত্তরকে জানান, নোয়াখালী পৌরসভা ও ছয়টি ইউনিয়নে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ৫ জুন এক সপ্তাহের বিশেষ লকডাউন দেয়া হয়। সে লকডাউন পরে আরো এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়। যখন লকডাউন দেয়া হয় তখন গোটা জেলায় সংক্রমণের হার ছিল ৩৪ শতাংশ। পরবর্তীতে সে হার ২৫ ও ২২ শতাংশে নেমে এলেও গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরও ১০১ জনের করোনা শনাক্ত হয়। বর্তমানে শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ৭০ শতাংশ।
আরও পড়ুন: ৫৮৭ টাকার জন্য মারধর করে ১৫ হাজারে রফা
এমন পরিস্থিতিতে করোনা প্রতিরোধ কমিটির আজ বিকেলের সভায় সংক্রমণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এতে সংক্রমণের হার আরো কমিয়ে আনার লক্ষে চলমান লকডাউন আরও সাত দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। জেলা প্রসাশক আরও জানান, লকডাউন আগের চেয়ে আরও জোরদার করতে উপস্থিত সকলেই সর্বস্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন এবং সে লক্ষ্যে সিএনজি অটোরিকশা ও ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা বন্ধসহ বেশ কিছু নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।
এ সভায় ক্ষতিগ্রস্ত দোকান কর্মচারীসহ শ্রমজীবি মানুষদের সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তা প্রদান করার পাশাপাশি কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে করোনার চিকিৎসা নিতে আসা অসহায় ও দুস্থদের জন্য ওষুধ কেনার লক্ষ্যে তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া তাৎক্ষনিক স্থানীয় সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী এক লাখ টাকা, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান ১০ হাজার টাকা ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম সামছুদ্দিন জেহান ১০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন, সিভিল সার্জন ডাঃ মাসুম ইফতেখারসহ করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
একাত্তর/এসজে
