সিলেট থেকে জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এদের মধ্যে রয়েছেন সংগঠনের শুরা সদস্য ও দাওয়াতি শাখার প্রধান। এই চার জঙ্গিই পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।
এয়ারপোর্টের বড়শলা এলাকায় সোমবার রাতভর অভিযান চালিয়ে র্যাব-৯ এর একটি দল চার জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে। পরে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান র্যাবের মিডিয়া শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন।
জঙ্গিদের কাছ থেকে নগদ দুই লাখ টাকা, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়েছে।
খন্দকার আল মঈন বলেন, গত বছরের ২৩ অগাস্ট কুমিল্লা সদর এলাকা থেকে আট তরুণ নিখোঁজ হন। নিখোঁজ তরুণদের পরিবার কুমিল্লার কোতয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। আলোচিত ওই নিখোঁজের ঘটনা তখন দেশব্যাপী চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
তিনি বলেন, নিখোঁজদের উদ্ধারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায় র্যাব। তরুণদের উদ্ধার কাজ চালাতে গিয়ে ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্কীয়া’ নামে একটি নতুন জঙ্গি সংগঠনের সক্রিয় থাকার তথ্য পায়।
জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসারের সদস্যরা পার্বত্য চট্টগ্রামের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কেএনএফের সহায়তায় সশস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
র্যাবের গোয়েন্দারা গোপন সূত্রে খবর পায় যে, নতুন এই জঙ্গি সংগঠনের দাওয়াতি শাখার প্রধান আব্দুল্লাহ মায়মুন কয়েকজন সদস্যসহ সিলেট এলাকায় সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত রাতে র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা এবং র্যাব-৯ এর যৌথ অভিযানে এদের ধরে ফেলা হয়।
আরও পড়ুন: অস্ত্র মামলায় আরাভ খানের ১০ বছর কারাদণ্ড
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন- দাওয়াতি শাখার প্রধান সিলেটের আব্দুল্লাহ মায়মুন (৩৪), ফরিদপুরের মোঃ আবু জাফর ওরফে জাফর তাহান (৪০), চাঁদপুরের মোঃ আক্তার কাজী ওরফে সাইন ওরফে আইজল (৩৮) এবং গোপালগঞ্জের সালাউদ্দিন রাজ্জাক মোল্লা (৩২)।
গ্রেপ্তার হওয়া চারজনই পাহাড়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জঙ্গি বলে তিনি জানিয়েছেন।
একাত্তর/আরবি
