দুর্যোগ মোকাবেলায় সব প্রস্তুতি শেষ করার কথা বলছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। কিন্তু দুর্যোগ বড় হলে সেন্টমার্টিন, দুর্গম পাহাড়ের বসতি এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্প কিভাবে রক্ষা পাবে এনিয়ে এখনো কোন নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারছেন না কর্মকর্তারা।
উপকূলবাসীর দাবি, মোখা ঠেকানোর প্রস্তুতির সময় দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেয়া দরকার।
সাগরের মাঝখানে সেন্টমার্টিন দ্বীপ। চতুর্দিক থেকে সাগর হানা দিতে শুরু করলে কোথাও যাবার জায়গা নেই দ্বীপবাসীর।
এখন পর্যন্ত দেয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী টেকনাফ উপকূল ছোঁবে ঘূর্ণিঝড় মোখা। সমুদ্র থেকে রক্ষা পেতে বেড়িবাঁধ থাকলেও জলোচ্ছ্বাসের তা কতটুকু কাজে আসবে এনিয়ে সন্দেহ রয়েছে খোদ প্রশাসনেও।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. তানজির সাইফ আহমেদ জানান, নাফ নদীর বাঁধে কোন স্লুইস গেইট নেই। যে কারণে জলোচ্ছ্বাসের পর তাৎক্ষণিক বন্যার আশঙ্কাও রয়েছে।
কক্সবাজারে পাহাড়ে বসবাস করেন দুই লাখের বেশি মানুষ। তাই ভারী বৃষ্টি হলে ভূমিধ্বসের বড় ঝুঁকি আছে সারা জেলায়।
ধস আশঙ্কার কথা স্বীকার করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু সুফিয়ান জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ সব ঝুঁকির কথা মাথায় রেখেই মোখা ঠেকানোর প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: চলতি মাসের শেষে চালু হতে পারে ‘ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন’
সাধারণ লোকজন মনে করেন শহর এলাকার মানুষের চেয়ে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের ঝুঁকি বেশি। প্রস্তুতির সময় তাদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেয়া দরকার।
একাত্তর/আরএ
