এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধের নির্দেশনা থাকলেও তা অমান্য করে বরিশালে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে চলছে কোচিং বাণিজ্য।
অতিরিক্ত ক্লাসের নামে স্কুল কক্ষেই চলছে কোচিং। শিক্ষকদের দাবি, শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করেই কোচিং চালু রাখা হয়েছে।
তবে উল্টো দাবি করেছেন অভিভাবকরা। তারা অভিযোগ করেছেন, ক্লাসে না পড়িয়ে উল্টো শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে চলছে অতিরিক্ত টাকা আয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, এসএসসি পরীক্ষা চলার সময় এক মাস বন্ধ থাকবে দেশের সব কোচিং সেন্টার। তবে বরিশালে সেই নির্দেশনা মানার বালাই নেই।
জেলার হালিমা খাতুন বালিকা বিদ্যালয় পরীক্ষার সেন্টার হওয়ায় একমাসের জন্য স্কুল কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে অতিরিক্ত ক্লাসের নামে সেখানেই চলছে কোচিং বাণিজ্য।
শিক্ষার্থীরা জানান, বিদ্যালয়ের ক্লাসে তেমন লেখাপড়া না হওয়ার একই শিক্ষকের কাছে কোচিং করছেন তারা। কারণ, পাঠ্যসূচির অনেক কিছুরই তাদের বোঝা ও পড়া হয়নি।
আর, অভিভাবকদের অভিযোগ, কোচিং করাতে আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। কোচিং-এর জন্য বাধ্য করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। এনিয়ে কোন কথাও বলা যায় না।
স্কুলটির শিক্ষকরা জানান, তারা প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে কোচিং পরিচালনা করছেন। এজন্য আয়ের ৪০ শতাংশ টাকা প্রধান শিক্ষককে দেয়া হয়। তবে, আর্থিক সুবিধা নেয়ার কথা অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক এস এম ফখরুজ্জামান।
আরও পড়ুন: খাদ্য নয়, গৃহনির্মাণ সামগ্রী চান সেন্ট মার্টিনবাসীরা
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতিনিধিরা বলছেন, পরীক্ষা চলাকালে শুধু বিদ্যালয়ে নয়, বাইরেরও সব ধরনের কোচিং বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
তারা বলেন, অভিযোগ পেলে তারা তদন্ত করে দেখবেন। আর তদন্তে কোচিং করানোর বিষয়টি প্রমাণ হলে, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একাত্তর/এসি
