চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি আবাসিক হলে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও কয়েক বস্তা পাথর উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে শাহ জালাল ও শাহ আমানত হলে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। তবে এসময় কাউকে আটক করা হয়নি।
কর্তৃপক্ষ জানায়, দুদিনের সংঘর্ষে শিক্ষার্থীদের অনেকের হাতে ধারালো অস্ত্র দেখা গেছে। মূলত এসব অস্ত্র উদ্ধার করতে এবং হলে অবৈধভাবে কেউ আছে কিনা দেখতে অভিযান চালানো হয়েছে। হল দুটির বেশ কয়েকটি কক্ষ থেকে রামদা, লাঠি, রডসহ বিপুল পরিমাণ পাথর উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রক্টর ও পুলিশের সামনেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের উপগ্রুপ সিএফসি ও সিক্সটি নাইন। এসময় পুলিশ ও প্রক্টরসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. নুরুল আজিম শিকদার বলেন, এসব যারা মজুদ করেছে এবং সংঘর্ষে যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। সবার বিরুদ্ধে একাডেমিক এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: প্রতীক পেয়েই প্রচারণার মাঠে রাজশাহী ও সিলেটের প্রার্থীরা
জানা গেছে, বুধবার রাতে খাবার হোটেলে বসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সংঘর্ষে জড়ানো দুটি পক্ষের মধ্য সিএফসি শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং সিক্সটি নাইন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
একাত্তর/এসজে
