দীর্ঘ ৯ মাস বন্ধের পর খুলেছে মেঘকন্যা বান্দরবানের দুয়ার। মুখর হতে শুরু করেছে রুমা-থানচির পর্যটন স্পটগুলো।
এদিকে রুমা-থানচিতে ভ্রমণে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলেও রোয়াংছড়ি বেড়ানোর নিষেধাজ্ঞা বহাল আছে। নিরাপত্তার স্বার্থে দুর্গম এলাকায় প্রবেশ না করতে বলছে প্রশাসন।
আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি পার্বত্য নগরী বান্দরবান। বর্ষা মৌসুমে এখানকার প্রকৃতি হয়ে উঠে আরও সুন্দর।
থানচি উপজেলায় পাহাড়ের চূড়ায় গড়ে তোলা তমাতুঙ্গী, লিক্রে সীমান্ত সড়কের বাকলাই ঝর্ণা, নাফাখুম, অমিয়াখুম, রেমাক্রি জলপ্রপাত, রুমা উপজেলার বগালেক, রিজুক ঝর্ণা, রোয়াংছড়ি উপজেলার দেবতাখুম দর্শনার্থীদের আগ্রহের স্থান।
নানা জটিলতায় নিরাপত্তার স্বার্থে গত দুই বছরে বিভিন্ন সময় বন্ধ রাখা হয় এই পর্যটন স্পটগুলো। সবশেষ গত বছরের ১৭ অক্টোবর এই তিন উপজেলায় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। দীর্ঘ ৯ মাস বন্ধ থাকার পর খুলেছে মেঘকন্যার দুয়ার।
স্বস্তি ফিরেছে ব্যবসায়ীদের মধ্যেও। তাদের আশা দীর্ঘ সময়ের ক্ষতি কাটিয়ে তারা ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।
থানচি উপজেলার একজন নৌকাচালক জানালেন, পর্যটক এলেই জোটে তাদের রুটিরুজি, সংসার চলে তা দিয়ে। তাই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে স্বস্তি ফিরেছে তাদের মধ্যে।
এদিকে রুমা-থানচি উপজেলায় ভ্রমণে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলেও রোয়াংছড়ি ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বহাল আছে। এতে হতাশ সেখানকার পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িতরা।
থানচির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবুল মনসুর জানান, ভ্রমণে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলেও নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যটকদের দুর্গম এলাকায় প্রবেশ না করতে বলছে প্রশাসন।
আরও পড়ুন: সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির পূর্বাভাস
পাহাড়ের সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের কর্মকাণ্ড বন্ধে এবং নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে বান্দরবানের তিন উপজেলায় পর্যটকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।
একাত্তর/জো
