বরিশালের হিজলা উপজেলায় সয়াবিন ক্ষেত থেকে আওয়ামী লীগ নেতা জামাল মাঝির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে বলে এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
শনিবার সকালে জামাল মাঝির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুবাইর জানিয়েছেন।
নিহত জামাল উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি। তিনি বরিশাল-৪ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য (এমপি) পংকজ দেব নাথের অনুসারী বলে জানা গেছে।
হিজলা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) দিপঙ্কর রায় বলেন, সংসদ সদস্য পংকজ দেব নাথের অনুসারী ছিলেন জামাল মাঝি। আজ ভোরে তাকে হত্যা করা হলে খবর পেয়ে ফোর্স নিয়ে সকাল দশটা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। ৭নম্বর ওয়ার্ড পালপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে দেড়শ' গজ দূরে সয়াবিন ক্ষেতে তার মরদেহ পড়ে ছিলো এবং গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের আটকে এলাকায় রয়েছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ কর্মকর্তা আরও বলেন, রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে মাস খানেক আগে জামাল মাঝির বসত ঘরে আগুন দেয়াসহ তার স্ত্রী, দুই পুত্র এবং কন্যাকে কুপিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। গেলো দিন শুক্রবার শাম্মি আহম্মেদের এক সমর্থকের পিটিয়ে হাত ভেঙে হয়ে হয়েছে। এনিয়েও মামলা হয়েছে। সবমিলিয়ে গেলো এক মাসে চার থেকে পাঁচটি মামলা রয়েছে দুই পক্ষের বিরোধ নিয়ে। আজকের এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি।
এদিকে মুঠোফোনে ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, জামাল মাঝির স্ত্রী ও কন্যা অভিযোগ করেন, চেয়ারম্যান জামাল ঢালির নির্দেশে তার লোকজন আলম, রবি ঢালি, মিরাজ গোলদার, নিজাম, সালাউদ্দিন এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
এনিয়ে হিজলা থানার অফিসার ইন চার্জ জুবাইর আহমেদ বলেন, এটা রাজনৈতিক অশান্ত এলাকা। একাধিক খুনের ঘটনা ঘটেছে এবং মামলা রয়েছে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে তারা তৎপর আছেন।
বাবার পাশে দাফন হলো অবন্তিকার