শেরপুরে দশানী নদীতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে দুই স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। একই দিনে সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নে খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নের সাহাব্দীরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মৃতরা হলেন ডুবারচর বাইনপাড়া গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে সবুজ (১৪) ও একই গ্রামের মহির আলীর ছেলে সুমন মিয়া (১৫)। তারা দুজনই কামারেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে সবুজ মিয়া ও সুমন মিয়াসহ অন্যরা ফুটবল খেলতে যায়। ফুটবল খেলা শেষ করে সাহাব্দীরচর দশানী নদীতে গোসল করতে নামে তারা। এ সময় নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় পানিতে ডুবে গিয়ে নিখোঁজ হয় তারা। পরে শেরপুর ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল না থাকায় জামালপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলকে খবর দেয়া হয়। তবে, জামালপুরের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে আসার আগেই স্থানীয়রা জাল ফেলে এবং পানিতে নেমে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সন্ধ্যার দিকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।
কামারেরচর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নূরে আলম সিদ্দিক জানান, বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলা শেষ করে দশানী নদীতে গোসল করতে নামে সবুজ ও সুমন গোসলে নেমে নদীতে তলিয়ে। পরে স্থানীয়রা তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। তাদের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
অন্যদিকে, সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের দিঘলদী মোল্লাপাড়া গ্রামে জাহাঙ্গীর আলমের ৭ বছরের ছেলে স্থানীয় উদয়ন একাডেমীর ১ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী জিসান বাড়ীর পাশে খেলাধুলা করতে যায়। একপর্যায়ে জিসানকে না দেখে পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজতে থাকে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে মৃত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমদাদুল হক দুইটি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ ঘটনায় পরবর্তী যথাযথ আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
লবণ বোঝাই ট্রাকচাপায় অটোরিকশার চার যাত্রীর মৃত্যু 