নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৪ জন টেঁটাবিদ্ধসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার নুনেরটেক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মোসলেহ উদ্দিন ও চাঁন বাদশার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, উপজেলার বারদী ইউনিয়নের নুনেরটেক গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে বারদী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান সদস্য ওসমান গণি ও ইউপি নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী শুক্কুর মাহমুদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছিল। বুধবার রাতে নুনেরটেক লালপুরির মেলায় তাদের দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে শুক্কুর মাহমুদের লোকজন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে টেঁটা, বল্লম, রামদা, লোহার রড, চাপাতি নিয়ে ওসমান মেম্বারের লোকজনের ওপর হামলা চালিয়ে রমিজউদ্দিন, মোসলেউদ্দিন, চাঁন বাদশা, বাহার উদ্দিন, স্বপন মিয়া, মোক্তার, ইউসুফ আলীসহ সাতজনকে পিটিয়ে, টেঁটাবিদ্ধ করে আহত করে। আহতদের মধ্যে রমিজউদ্দিন, মোসলেউদ্দিন, বাহার উদ্দিন, স্বপন মিয়া টেটাবিদ্ধ হয়। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তারা আরও জানায়, পরে খবর পেয়ে ওসমান মেম্বারের লোকজন একত্রিত হয়ে শুক্কুর মাহামুদের সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়ে কামরুল ইসলাম, ওমর আলী, আব্দুল হককে পিটিয়ে আহত করে। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, হামলা ও সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দু'পক্ষের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে নিহত এক