পেট ব্যথা নিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে অপারেশনের পর পঞ্চম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। অপারেশন করার সময় কোনো ভুলে এ মৃত্যু হয়েছে দাবি করে শিশুটির স্বজনরা ওই হাসপাতাল ঘিরে রেখেছেন। এরই মধ্যে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদে চার চিকিৎসকসহ পাঁচ জনকে আটক করেছে। তবে শিশুর স্বজনদের দাবি, আটক চিকিৎসকরা অপারেশন করেননি, করেছে ইন্টার্ন চিকিৎসক।
মঙ্গলবার দুপুর দুইটার দিকে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বসুন্ধরা আদ দ্বীন হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত শিশুটির নাম তাসমিয়া জামান তনায়া (১২)। সে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মনিরুজ্জামানের মেয়ে এবং উদয়ন আদর্শ বিদ্যা নিকেতন পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
জিজ্ঞাসাবাদে আটক চিকিৎসকরা হলেন- অ্যাসিসটেন্ট প্রফেসর সামসুদ্দিন হিরা (সার্জারি), অ্যাসিসটেন্ট প্রফেসর ডা. আশফিয়া (অ্যানেসথেশিয়া), মেডিক্যাল অফিসার ড. নেহাল, ডা. আসমেরি (অ্যানেসথেশিয়া) ও ম্যানেজার আনোয়ার হোসেন ।
শিশুটির বাবা মনিরুজ্জামান জানান, মেয়ে পেটে ব্যথা অনুভব করলে আদ দ্বীন হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে চিকিৎসকরা এপেনডিসাইটের কথা বলে অপারেশন করাতে হবে জানিয়ে ভর্তি করান। মেয়ে দুপুর ওটিতে হেঁটেই যায়, কিন্তু বের হয়ে লাশ হয়ে। তার দাবি, যে চিকিৎসকদের জিজ্ঞাসাবাদে আটক করা হয়েছে তাদের কেউ অপরাশেন করেননি, করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ মাহাবুব আলম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে চার চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হঠাৎ অসুস্থ ৩১ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ভর্তি