ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ। গাড়ির চাপ বেশি থাকলে এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাড় পর্যন্ত যানবাহন চলবে একমুখী।
শুধু উত্তরাঞ্চলগামী যানবাহনের জন্যই সড়কের এ অংশটি বরাদ্দ থাকবে। আর ঢাকাগামী যানবাহন বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে গোলচত্বর দিয়ে ভূঞাপুর হয়ে এলেঙ্গা প্রবেশ করবে।
ঢাকা থেকে যানবাহনগুলো চারলেন সড়কের সুবিধায় আসতে পারে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পর্যন্ত। কিন্তু এরপর থেকে সেতু পর্যন্ত চলতে হয় দুই লেনে। আর এতেই যানজটের কবলে পড়তে হয় যানবাহনগুলোকে।
তবে এবার এলেঙ্গা থেকে সেতুর টোল প্লাজার কাছে গোল চত্বর পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার সড়ক একমুখী করার পরিকল্পনা করেছে জেলা পুলিশ।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার (এসপি) সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, এলেঙ্গা থেকে সেতু পর্যন্ত দুই লেনের সড়কে শুধু ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহনই চলবে। আর উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী যানবাহন সেতু পার হয়ে গোলচত্বর থেকে ভূঞাপুর হয়ে এলেঙ্গা পর্যন্ত আসবে। এতে যানজট কমবে বলে জানান তিনি।
এদিকে, যাত্রীরা যানজটে আটকা পড়লে দুর্ভোগ কমাতে মহাসড়কের পাশে পেট্রোল পাম্প, হোটেল রেস্তোরাঁগুলোতে যেন শৌচাগার ব্যবহার করতে পারেন, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর ভূঞাপুর সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবির পাভেল জানালেন, এবার যানজটে যাত্রীদের তেমন ভোগান্তিতে পড়তে হবে না বলে আশা করা যাচ্ছে। যানজটে পড়লেও যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে তাদের পক্ষ থেকেও নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানালেন তিনি।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দিয়ে ২৬ জেলার মানুষ চলাচল করে। আর স্বাভাবিক সময় ১৯ থেকে ২০ হাজার যানবাহন চলাচল করলেও যে কোন উৎসবে চাপ বাড়ে দ্বিগুণ।
যাত্রী ভোগান্তি কমাতে মেঘনা সেতুর দ্বিতীয় টোল প্লাজা চালু