পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতে এবার মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন হুমকিতে পড়েছে পাটুরিয়ার তিন, চার ও পাঁচ নম্বর ফেরিঘাট। ঘাটপাড়ের মানুষের আতঙ্ক কাটাতে এরই মধ্যে কয়েকটি স্থানে সামান্য কিছু বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১৩ আগস্ট) ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, সকালে পানির তীব্র স্রোত হঠাৎ আঘাত হানে পাটুরিয়ার তিন নম্বর ফেরি ঘাটে। এতে ঘাটের কিছু অংশ নদীতে ভেঙে যায়। একইভাবে চার ও পাঁচ নম্বর ঘাটের অ্যাপ্রোচ সড়কে পানি উঠে র্যাম্প ডুবে যায়। চার নম্বর ঘাটের জিও ব্যাগসহ কিছু অংশ নদীতে ভেঙে যায়। হুমকিতে পড়ে পাঁচ নম্বর ফেরি ঘাটটিও। প্রবল স্রোতের কারণে ফেরিগুলো স্বাভাবিকভাবে পন্টুনে ভিড়তে পারছে না।
বিআইডব্লিউটিএর ডিজিএম আবদুস সালাম জানান, পানির তীব্র স্রোত সরাসরি এসে আঘাত হানছে ঘাটগুলোতে। এতে ঘাটের নিচের অংশের মাটি সরে গিয়ে উপর থেকে দেবে যাচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।
এদিকে, পাটুরিয়া তিনটি ঘাটে ভাঙন হুমকির আতঙ্কে পড়েছে ঘাটপাড়ের মানুষ। এখনই ভাঙন রোধে কার্যকরী ব্যবস্থা না নিলে ঘাটগুলো বিলীনের আশঙ্কা করছেন তারা। ঘাটগুলোকে রক্ষায় আপাতত বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। তবে প্রয়োজনের তুলনায় সেগুলো অত্যন্ত কম হওয়ায় খুব একটা কাজে আসছেনা বলে অভিযোগ রয়েছে ঘাট সংশ্লিষ্টদের।
এব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী নেপাল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, তাৎক্ষণিক ভাঙন ঠেকাতে কিছু জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। তবে বড় ধরনের ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) জানানো হয়েছে। নদী শাসনের প্রকল্পে পাউবো তখন ব্যবস্থা নেবে।
গত এক সপ্তাহ আগে (৫ আগস্ট) পদ্মার তীব্র স্রোতে ভেঙে গিয়েছিলো পাটুরিয়ার লঞ্চঘাটটি। পরে লঞ্চগুলোকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। এখন সেই স্রোত আঘাত হানছে ফেরিঘাটগুলোতে।
গলায় বিঁধে ছিলো ‘ক্ষুদ্র ঋণের কাঁটা’, বিষ ঢেলে নামালেন মা-মেয়ে