নরসিংদীতে এক নিখোঁজ প্রবাসীর কয়েক টুকরো করা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহের গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিলো। একটি রেললাইনের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হলেও স্বজনদের দাবি, হত্যার পর মরদেহ এখানে ফেলে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ বলছে তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলার পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল স্টেশনের রেললাইনের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহতের নাম গণি মিয়া (৩০)। তিনি ঘোড়াশাল আঁটিয়াগাও গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। গত তিন মাস আগে প্রবাস থেকে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন তিনি।
স্বজনরা জানান, শুক্রবার রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় গণি মিয়া। পরে তার কোনো খোঁজ না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানার সহযোগিতা চাওয়া হয়। সকালে ঘোড়াশাল স্টেশনের পাশে এক যুবকের মরদেহ পড়ে থাকার খবর শুনে পরিবারের লোকজন ছুটে এসে তাকে শনাক্ত করে। এসময় শরীর থেকে গণির গলা ও হাত বিচ্ছিন্ন ছিলো।
তাদের দাবি, হত্যার পর মরদেহ রেললাইনের পাশে ফেলে রাখা হয়েছে।
নরসিংদী রেলওয়ের পুলিশের উপ-পরিদর্শক নাজিমুদ্দিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের পর হত্যা না আত্মহত্যা তা জানা যাবে।
