সাভারে আশুলিয়ায় বিএনপির ধামসোনা ইউনিয়ন শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জাকির হোসাইন মুন্সির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি মিথ্যা এবং এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে আশুলিয়ার বগাবাড়ী এলাকার বসুন্ধরা হাউজিং মাঠে নিজ কার্যালয়ে এ সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাকির হোসাইন অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এসব মিথ্যা মামলা দায়ের এবং অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। এর পাশাপাশি দারুল ইহসান ট্রাস্ট ও সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করতে একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু বহিরাগত ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে নিয়মিত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। সৈয়দ সানজিদ নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে মাদ্রাসার স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি মাদ্রাসা সংলগ্ন মার্কেট ও কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ীদের ওপরও নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, তার লোকজন ও কর্মচারীদের মাদ্রাসা এবং সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এসব ঘটনার সঙ্গে তাকে জোরপূর্বক জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে; কোথাও তাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পৃষ্ঠপোষক, আবার কোথাও লোক পাঠিয়ে হামলা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারিগর হিসেবে দেখানো হচ্ছে। তবে এসব অপকর্মের সঙ্গে নিজের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই বলে তিনি স্পষ্টভাবে দাবি করেন।
জাকির হোসাইন চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিন্দুমাত্র সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া গেলে তিনি যেকোনো আইনি শাস্তি মেনে নিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত সত্য বের করে আনতে তিনি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
সাংবাদিক সম্মেলন থেকে তিনি তার বিরুদ্ধে চলমান এ সব অপপ্রচার বন্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং মিথ্যা মামলা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে ধামসোনা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বাবুল হোসাইন মিয়াসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
