চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় এনজিও কিস্তির টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে মর্জিনা খাতুন (৩৪) নামে এক নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে তার বাবা আজিলুল হক। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় মর্জিনা খাতুনের মেয়ে রোকসানা খাতুনকে (১৩) কুপিয়ে আহত করেন আজিলুল।
রোববার ভোর ৪টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে শনিবার রাত ২টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার বাঘাডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মর্জিনা খাতুন দামুড়হুদা উপজেলার বাঘাডাঙ্গা গ্রামের আজিজুল হকের মেয়ে। আহত রোকসানা খাতুনকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, স্বামী পরিত্যক্তা মর্জিনা খাতুন বাবার বাড়িতেই বসবাস করতেন। তার দুই ছেলে মেয়ে রয়েছে। এনজিও থেকে যৌথভাবে ঋণ নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করেন আজিজুল হক ও তার মেয়ে মর্জিনা খাতুন। শনিবার রাতে ঋণের কিস্তির টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।
পরে রাত ২টার দিকে ঘুম থেকে ডেকে মর্জিনা খাতুনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন বাবা আজিজুল হক। মাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হন শিশু রোকসানা খাতুন। পরে স্থানীয়রা মর্জিনা ও তার মেয়েকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মর্জিনাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, মৃত অবস্থায় মর্জিনাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিলো। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এছাড়া রুকসানার দুই হাতে জখম হয়েছে। তার অবস্থা আশংকামুক্ত।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবীর জানান, আসামীকে আটকের জন্যে পুলিশি অভিযান চলছে। আইনি বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।
নরসিংদীতে শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার, আটক দুই