যশোর একটি ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনকালে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। তবে ওই প্রসূতির একটি সন্তান ভূমিষ্ঠ করা গেলেও চার ঘণ্টা পর ওই নবজাতকটিরও মৃত্যু হয়। পরে বিক্ষুব্ধ স্বজনরা ক্লিনিকে ভাঙচুর চালায়।
এদিকে, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ মৃত্যুর কারণ হিসেবে রক্তস্বল্পতা কথা বললেও স্বজনদের অভিযোগ, রক্তের ব্যবস্থা না করেই প্রসূতিকে ওটিতে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় ক্লিনিকের কর্মীরা পালিয়ে গেলেও রোগী নিয়ে আসা দালালকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
সোমবার সকাল আটটার দিকে জেলার সদর উপজেলার রূপদিয়ায় গ্রামীণ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। এরপর দুপুর ১২টার দিকে নবজাতকটিও মারা যায়।
ওই প্রসূতির নাম লিমা খাতুন। তিনি সদর উপজেলার আন্দুলিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী।

তারা জানান, অপারেশনকালে প্রসূতি মারা গেলে কর্তৃপক্ষ দায় এড়াতে রক্ত স্বল্পতার কারণে জ্ঞান ফিরছে না জানিয়ে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। খুলনায় নিলে চিকিৎসক জানান, রোগী অনেক আগেই মারা গেছে। পরে তারা ক্লিনিকে গিয়ে তালা ঝুলানো দেখতে পান। এরপর দুপুর ১২টার দিকে নবজাতক ছেলে সন্তানটিও মারা যায়।
এই ক্লিনিকে এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে জানিয়ে তারা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
এদিকে ক্লিনিকের কর্মীরা পালিয়ে গেলেও পুলিশ রোগী নিয়ে আসা দালালকে হেফাজতে নিয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে পুলিশ।
‘জল্লাদ’ শাহজাহান মারা গেছেন