জামালপুরে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও অপহরণসহ আলাদা তিনটি মামলার রায় ঘোষণা করেছে আদালত। এতে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং তিন জনকে ১০ বছর করে আটকাদেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৪ মে রাতে জামালপুর শহরের হযরত শাহ জামাল (র.) মাজারের সামনে থেকে এক গৃহবধূকে অপহরণের পর দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছিলো। ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আসামি বুলবুল আহমেদ, কালাম ওরফে মাক্কু ও রুকুকে একটি ধারায় যাবজ্জীবন এবং অন্য একটি ধারায় মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
দণ্ডিত বুলবুলের বাড়ি শহরের বেলটিয়া খুপিবাড়ি এবং কালাম ও রুকুর বাড়ি শহরের পাথালিয়া নাওভাঙা এলাকায়।
একই আদালত ইসলামপুরের পচাবহলার এক নারীকে অপহরণের মামলায় আব্দুল হাই মন্ডল, মো. আক্কেল ও নায়েব আলী নামে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন।
এছাড়া বকশিগঞ্জ উপজেলার কিশোরী খোদেজা হত্যা মামলার রায়ে আলম মিয়া, মাহা আলম ও রাজু মিয়াকে ১০ বছর করে আটকাদেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, রায়ের সময় চারজন আসামি আদালতে উপস্থিত থাকলেও বাকিরা পলাতক রয়েছেন। আদালত পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছে।
