কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজী নজরুল ইসলাম হল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগের দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গেলো রাত থেকে শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীরা জানায়, শুক্রবার (৯ আগস্ট) কোনো একটি বিষয় নিয়ে দুপুরে দুই হলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যায় নজরুল হলের এক ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধর করে বঙ্গবন্ধু হলের এক ছাত্রলীগ কর্মী। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাত সাড়ে ১২টার দিকে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। ইট-পাটকেল নিক্ষেপসহ ঘটে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা। এসময় ছাত্রলীগের একাধিক কর্মীকে লাঠি, রড, দেশীয় অস্ত্র হাতে দেখা যায়।
অপরদিকে শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নজরুল হল ছাত্রলীগের এক কর্মীকে মারধর করে বঙ্গবন্ধু হল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এর জের ধরে আবারও সংঘর্ষের শুরু হয়। উভয় পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়।
তাদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাদাৎ মো. সায়েম, বঙ্গবন্ধু হলের ছাত্রলীগ কর্মী ইকবাল, রাকিব, অনুপ দাশ, সোহাগ, নজরুল হলের সাকিব হাসান দীপ, আশরাফুল রায়হানসহ দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। তারা কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

পরে প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশ পরিস্থিতি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। এসময় নজরুল হলের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে সাগর ও উপকূল থেকে অস্ত্রসহ ১২ জলদস্যু আটক
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। ততক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, ছাত্রনেতারা মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি ঘটনা শুনে আমরা ঘটনা স্থলে উপস্থিত হই। এখন শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ অবস্থানে রয়েছে। আমরা প্রক্টরিয়াল বডি বসে এটা সমাধান করবো।
একাত্তর/এসি
