রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। এর আগে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এতে ভোট পড়েছে ৭২ শতাংশের বেশি।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ভোট গ্রহণ শেষে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার মোস্তফা কামাল আকন্দ ও প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক সেতাউর রহমান।
তারা জানান, নির্বাচনে ৭২ শতাংশের বেশি ভোট কাস্ট হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয় রাকসু, হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন। বিভিন্ন প্যানেলের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়ে বিকেল ৪টায় শেষ হয় ভোটগ্রহণ।
ভোট শেষ হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে এখনো যারা ভোট দেননি, তাদের লাইনে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়। এরপর কেন্দ্রের গেট বন্ধ করে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে ভোট গণনার কাজ শুরু হয়।
ভোট গণনা শেষে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন থেকে ফল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মোস্তফা কামাল আকন্দ।
তিনি বলেন, ৯টি ভবনে ভোট শেষে সব ব্যালট বাক্স নেওয়া হয় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে। ভোট গণনার সুবিধার্থে ১০০টি করে ব্যালট দিয়ে পৃথক বান্ডেল করা হয়েছে। এ বান্ডেলের ভোট গোনা হবে ওএমআর মেশিনে যা পর্যবেক্ষণ করবে বিশেষজ্ঞ প্যানেল। সব মিলিয়ে তিন ধাপে চূড়ান্ত ফল তৈরি হবে। একটি হলের ফল তৈরি শেষে আরেকটির গণনা শুরু হবে। তাতে ২৮৩টি পদের ফল জানাতে ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা সময় লেগে যেতে পারে।
গণনার দৃশ্য এলইডি স্ক্রিনে দেখানোর কথা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে, রাকসু, সিনেট ও হল সংসদ নির্বাচনের ২৮৩ টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৮৬০ জন প্রার্থী। রাকসুর ২৩টি পদের বিপরীতে ৩০৫ জন, সিনেটের পাঁচটি পদের বিপরীতে ৫৮ জন এবং ১৭টি হলের প্রত্যেকটিতে ১৫টি পদের বিপরীতে ৫৫৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এবার ২৮ হাজার ৯০১ জন ভোটারের মধ্যে ৩৯.১ শতাংশ ছাত্রী এবং ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ ছাত্র।
নির্বাচন ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দুই হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেইসঙ্গে মাঠে রয়েছে ৬ প্লাটুন বিজিবি এবং ১২ প্লাটুন র্যাব সদস্য।
রাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে নিয়ম ভেঙে লিফলেট বিতরণের অভিযোগ