রোববার (১৩ জুন) রাতে নাট্য নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী নাটকের শুটিংয়ের কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। এই ব্যস্ততার মধ্যেই তিনি পরীমনির ঘটনাটি জানতে পারেন।
চয়নিকা জানান, পরীমনি তার ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে যখন ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনেন, সঙ্গে সঙ্গেই নজরে আসে।
বিষয়টি জানার পর, কোন কিছু চিন্তা না করেই, শুটিংয়ের কাজ ফেলে পরীমনিকে ফোন দিয়ে তার বনানীর বাসায় চলে আসেন।
চয়নিকা বলেন, “গেলো চার-পাঁচদিন ধরে আমি পরীমনির সাথে ছিলাম না। তাই আমি ঘটনাটি জানতে পারিনি। ঘটনার আগেও পরীমনি আমার সাথেই ছিল। বাসায় পৌঁছে আমি পরীমনিকে বুঝিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সঙ্গে করে নিয়ে আসি”।
রোববার রাতের সংবাদ সম্মেলনে পুরো সময়টা চয়নিকা চৌধুরী পাশে থেকে পরীমনিকে সাহস জুগিয়েছেন।
তিনি বলেন, অভিযুক্তদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে বিষয়টি পূর্বপরিকল্পিত কিনা তাও খতিয়ে দেখতে হবে। গোটা বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করারও আহ্বান জানান তিনি।
গেলো বছরের ডিসেম্বর মাসে চয়নিকা চৌধুরী পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র বিশ্ব সুন্দরীতে অভিনয় করেন পরীমনি।
চলতি মাসের শেষে পরীকে নিয়ে ওয়েবের জন্যে শুটিং শুরু করবেন বলেও এই প্রতিবেদককে জানান চয়নিকা চৌধুরী।
চয়নিকা চৌধুরী বলেন, পরীর সাথে তার সম্পর্ক মা মেয়ের মতো এবং পরীমনি তাকে মাম বলেই ডাকে।
একাত্তর/আরএইচ
