শেষ পর্যন্ত বাবার নিয়ন্ত্রণ থেকে বাঁচতে মঞ্চে আর গান না করার ঘোষণা
দিয়েছেন আমেরিকার পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স। বলেছেন, প্রয়োজনে নিজেদের শোবার ঘর থেকে
নাচের ভিডিও শেয়ার করবেন, তারপরও মঞ্চে আর উঠবেন না।
শনিবার শেষ রাতের দিকে নিজের ইনস্টাগ্রামে এক ক্ষুব্ধ পোস্টে তিনি এসব কথা জানান। উল্লেখ্য, নিজের ব্যক্তি জীবন ও সম্পদের উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বাবা জেমি স্পিয়ার্সের সঙ্গে দীর্ঘ দিন থেকে লস অ্যাঞ্জেলাসের একটি আদালতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন ব্রিটনি।
কৈশোর থেকেই ব্রিটনি গোটা বিশ্বেই পপ তারকা খ্যাতি পেতে শুরু করেন। একের পর গান বিলবোর্ডের তালিকায় স্থান পেতে থাকলেও, আয়ও বাড়তে থাকে। কিন্তু অপ্রাপ্ত বয়সের কারণে তার সব আয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ পান বাবা জেমি।
দীর্ঘদিন থেকেই এনিয়ে বাবা-মেয়ের মধ্যে মন কষাকষি চলছিলো। সঙ্গত কারণেই ব্যক্তিগত জীবন ও সম্পদ নিয়ন্ত্রণ এখন নিজের কাছে নিতে চান ব্রিটনি। কিন্তু, এক্ষেত্রে বারবার বাধা দিয়েছে আদালত।
এই আইনি লড়াইয়ে তিতি বিরক্ত হয়ে ব্রিটনি তার পোস্টে লেখেন, ‘সহসাই কোন মঞ্চে উঠে আমি আর গান করছি না। যতক্ষন পর্যন্ত আমার বাবা আমার পোশাক নিয়ন্ত্রণ করবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমি আর মঞ্চে উঠছি না। প্রয়োজনে শোবার ঘর থেকে ভিডিও শেয়ার করবো’।

২০০৭ সালে এক গ্যাস স্টেশনে এক আলোকচিত্রিকে মারধর করেন ব্রিটনি।
এই ঘটনার পরের বছর ক্যালিফোর্নিয়ার এক আদালত থেকে জেমি ব্রিটনির যাবতীয় সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত
নেওয়ার অধিকার পান। সেই থেকেই মুলত শুরু বাবা-মেয়ের বিবাদ।
সম্প্রতি আদালতের শুনানিতে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে ৩৯ বছর বয়সী এই পপ তারকা অভিযোগ করেন, তাকে আরও সন্তান নেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে; ইচ্ছার বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছে সাইকিয়াট্রিক ড্রাগ লিথিয়াম। তাকে আইনের ভয় দেখিয়ে গান করতে বাধ্য করা হচ্ছে।
ব্রিটনির এমন অভিযোগের পর আদালত ব্যক্তিগত আইনজীবী নিয়োগের অনুমতি দেয়। তবে বাবা জেমি জানিয়েছেন, খুব সহজে তিনি তার ভূমিকা থেকে সরে যাচ্ছেন না।
একাত্তর/ এনএ
