বাঙালির অশ্রুসিক্ত কিছু সিনেমা

আপডেট : ১০ মার্চ ২০২৪, ১০:০৪ পিএম

সিনেমা মানুষের মনকে জাগিয়ে তোলে, ভাবিয়ে তোলে, ভাসিয়ে নেয় আনন্দে, আর যদি তা হয় দেশমাতৃকাকে ঘিয়ে তবে তো গর্বে ভরে বুক, অশ্রুতে ভেজে চোখ।

বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে বিভিন্ন সময়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নানা চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়ে আসছে। এ দেশের সুস্থ ধারার চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে একটি বড় অংশ জুড়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্রগুলো। এসব কালজয়ী সিনেমার জানা-অজানা কিছু ঘটনা নিয়ে পাঠকের জন্য আজকের আয়োজন-

ওরা ১১ জন

ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে রাজাকার হত্যার একটি দৃশ্য ছিলো। দৃশ্যের প্রয়োজনে ইকবাল হলে আটক কয়েকজন রাজাকারকে ধরে শুটিংয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো। পানিতে গুলি করে রাজাকারদের বলা হয়েছিল মৃত্যুর অভিনয় করতে। অপর একটি দৃশ্যে সত্যিকারের পাকিস্তানি সৈন্যরাও অভিনয় করেছিলো। দৃশ্যটি ছিলো, ধরা পড়ে যাওয়া পাকিস্তানি সৈন্যকে মেরে ফেলার। মুক্তিযুদ্ধের সময় আটকে পড়া দুই পাকিস্তানি সৈন্য তখন চলচ্চিত্রটির ইউনিটের কাছে বন্দী ছিলো। তাদেরকে তখনও বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। এই দুই সৈন্যকে দিয়েই দৃ্শ্যটিতে অভিনয় করানো হয়। এরপর তাদেরকে সেনানিবাস কর্তৃপক্ষের কাছে সোপর্দ করা হয়।

এটিই মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম ও সবচেয়ে সাড়া জাগানো ছবি। প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক প্রয়াত চাষী নজরুল ইসলাম ১৯৭২ সালে ছবিটি নির্মাণ করেন। ছবির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক, শাবানা, নূতন, খসরু, সৈয়দ হাসান ইমাম ও খলিলউল্লাহ খানসহ অনেকে।

আলোর মিছিল

‘আলোর মিছিল’ সিনেমায় রাজ্জাক-ববিতার সম্পর্ক ছিল মামা-ভাগনি। ববিতার মারা যাওয়ার দৃশ্যে ওভারল্যাপে একটা সংলাপ ছিল, “মামা যাসনে!” এদিকে রাজ্জাক তার ভাবিকে বলেন- ‘‘আমাকে বিদায় দাও, আলোকে কবরস্থানে নিয়ে যেতে হবে। মাটি দেওয়া হবে।” এক সাক্ষাতকারে ববিতা বলেন, ‘‘ছবি মুক্তির পর আমি যখন বোরখা পরে পরিবারের সবাইকে নিয়ে মধুমিতা হলে ছবি দেখতে গিয়ে দেখি, ‘মামা যাসনে’ সংলাপ বলার পর হলের সবাই হাউমাউ করে কেঁদেছে।”

১৯৭৪ সালে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই ছবিটি মুক্তি পায়। ছবিটির পরিচালক ছিলেন নারায়ণ ঘোষ মিতা। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারুক, ববিতা, রাজ্জাক ও সুজাতা।

অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী

অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী ছবির পোস্টার ডিজাইন ছিল অভিনব। পোস্টারে লেখা ছিল, ‘লাঞ্ছিত নারীদের মর্যাদা দাও’! পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়ে যে সব নারী গর্ভবতী হয়েছিলেন, পৃথিবীতে আসা সেই সব যুদ্ধ শিশুদের বরণ করে নেয়ার তীব্র আকুতি ছিল এই ছবিতে!

‘‘লাঞ্চিত নারীত্বের

মর্যাদা দাও,

নিষ্পাপ সন্তানদের

বরণ কর...।’’

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছিলেন বিখ্যাত পরিচালক সুভাষ দত্ত। ছবির তিনটি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ববিতা, উজ্জল ও আনোয়ার হোসেন। বিষয়গত দিক থেকে এই ছবিটিকে সে সময় একেবারেই অন্যরকম বলে মন্তব্য করেছিলেন বুদ্ধিজীবীরা।

হাঙ্গর নদী গ্রেনেড

এই সিনেমার যে দৃশ্যটি দেখলে কাঁদতে কাঁদতে বুকে ব্যথা অনুভব হবে।

‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’ ছবির হলদিগাঁয়ের মাটিতে রচিত হয় মর্মন্তুদ এক দৃশ্য। যে দৃশ্যের রচনাকার একজন মা। বুড়ি যার নাম। হাফেজ ও কাদের দুই মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করতে করতে শত্রুপক্ষের চোখ ফাঁকি দিয়ে আশ্রয় নেয় বুড়ির ঘরে। পাকসেনারাও বাড়িতে আসে। দেশপ্রেমের অগ্নিপরীক্ষায় একজন মা, মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে তার নিজের সন্তানকে তুলে দেয় পাকসেনাদের বন্দুকের নলের মুখে। সন্তানের নাম রইস। বুড়ি এখন ইচ্ছে করলেই শুধু রইসের মা হতে পারে না। হাঙর নদী গ্রেনেড তখন মহাকাব্যের আখ্যান হয়ে ওঠে। বুড়ি হয়ে যায় ইতিহাস-কন্যা। আর হলদিগাঁ, বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।

প্রখ্যাত লেখক সেলিনা হোসেন রচিত মুক্তিযুদ্ধের গল্প ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’ অবলম্বনে ১৯৯৭ সালে একই নামে ছবিটি নির্মাণ করেন চাষী নজরুল ইসলাম। একজন সন্তানহারা মায়ের গল্প নিয়েই ছবির গল্প। মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন চিত্রনায়িকা সুচরিতা। এছাড়াও, ছবির বিভিন্ন চরিত্রে আরও সোহেল রানা, অরুনা বিশ্বাস, অন্তরা ও ইমরান অভিনয় করেন।

আগুনের পরশমণি

১৯৭১ সালের মে মাস। অবরুদ্ধ ঢাকায় ভীষণ নিস্তব্ধ রাতের বুক চিরে ছুটছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাঁজোয়া গাড়ির বহর। তীব্র হতাশা, তীব্র ভয়ে কাঁপছে বাংলাদেশের মানুষ। অবরুদ্ধ ঢাকার একটি পরিবারের কর্তা মতিন সাহেব ট্রানজিস্টার শোনার চেষ্টা করছেন মৃদু ভলিউমে। ভয়েস অব আমেরিকা, বিবিসি, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র শোনার চেষ্টা করছেন। নব ঘোরাচ্ছেন ট্রানজিস্টারের। হঠাৎ শুনতে পেলেন বজ্রকণ্ঠের অংশ বিশেষ : ‘মনে রাখবা রক্ত যখন দিয়েছি / রক্ত আরও দেব… এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম / এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ কিছুই ভালো লাগে না মতিন সাহেবের বড় মেয়ে রাত্রির। তাদের পরিবারে কয়েকদিন পর হাজির হন মতিন সাহেবের বন্ধুর ছেলে বদি। বদি এবং তার সহযোদ্ধারা একের পর এক অভিযান করে সফলতা লাভ করে। কিন্তু এক এক করে তারা পাক বাহিনীর হাতে বন্দি হয়। একটি অপারেশনে গুলিবিদ্ধ হয় বদি। তাকে মতিন সাহেবের বাড়িতে রেখে ফেরার পথে ধরা পড়ে গেরিলাযোদ্ধা রাশেদুল করিম। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় থু থু ছিটিয়েছেন পাকিস্তানি মেজরের মুখে। হাতের আঙুল কেটে ফেলা হয়েছে তার। তবুও তিনি মাথা নোয়াননি। কার্ফু শুরু হওয়ায় তাকে সারানোর মত ডাক্তার, ওষুধের জন্য সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু তিনি কি পারবেন সকাল পর্যন্ত বাঁচতে? তিনি কি আরেকটি ভোরের সূর্যালোক দেখতে পাবেন? এভাবেই শেষ হয় চলচ্চিত্রের কাহিনি। রাত্রি অপেক্ষা করেন একটি স্নিগ্ধ ভোরের, অপেক্ষা করেন বদির প্রাণ ফিরে পাওয়ার।

১৯৯৪ সালে এই ছবিটি নির্মাণ করেন প্রয়াত কথাসাহিত্যিক, নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ। সরকারি অনুদানে তৈরি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই ছবিটি আটটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আসাদুজ্জামান নূর। এতে আরও অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আবুল হায়াত, ডলি জহুর ও হুমায়ূনকন্যা শিলা আহমেদ।

মুক্তির গান

মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা লিয়ার লেভিন ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর একটি ডকুমেন্টারি নির্মাণের অভিপ্রায়ে এদেশের একদল সাংস্কৃতিক কর্মীর সঙ্গ নেন। বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থা নামের দলের এই সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের দেশাত্মবোধক ও সংগ্রামী গান শুনিয়ে উজ্জীবিত করতেন। এই শিল্পীদের সাথে থেকে লেভিন প্রায় ২০ ঘণ্টার ফুটেজ সংগ্রহ করেন। যুদ্ধের শেষ দিকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান। আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে তিনি ডকুমেন্টারি তৈরি করতে পারেননি।

দীর্ঘ দুই দশক পর ১৯৯০ সালে তারেক ও ক্যাথরিন মাসুদ নিউইয়র্কে লেভিনের কাছ থেকে এই ফুটেজ সংগ্রহ করেন। এ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য তারা আরো বিভিন্ন উৎস থেকে মুক্তিযুদ্ধের নানা সংরক্ষিত উপাদান সংগ্রহ করেন, বিশ বছর আগের সেই শিল্পীদের সাথে যোগাযোগ করেন। লেভিনের কাছ থেকে প্রাপ্ত ফুটেজের সাথে সংগৃহীত অন্যান্য উপাদান যোগ করে ছবিটি নির্মিত হয়।

এখনো অনেক রাত

১৯৭১ সাল। দেশে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। জাহেদ, কামাল, সাব্বিররা যুদ্ধে গেছে। সেখানে তারা যুদ্ধের বিভীষিকা দেখে আতংকিত হয়। যুদ্ধ শেষে বাড়ি ফিরে সবাই কিন্তু সব কিছুতেই রয়ে যায় অপূর্ণতা। যুদ্ধের বিশ বছর পর নিতি জাহেদকে পাবনায় পাগলা গারদে আবিষ্কার করে।

১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া মুক্তিযুদ্ধের এ ছবিটি পরিচালনা করেন খান আতাউর রহমান। এটিই তার পরিচালিত শেষ চলচ্চিত্র। মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের পরের সময়ের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে ছবিটিতে। এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারুক, সুচরিতা, আলী রাজ, ববিতা ও পরিচালকের ছেলে কণ্ঠশিল্পী আগুন।

শ্যামল ছায়া

আলো আর অন্ধকার; সেই অন্ধকারকে অতিক্রম করেই হাসান আলির আলোর পথে যাত্রা। যাদের না ছিল যুদ্ধের কোনো পূর্ব-অভিজ্ঞতা, না ছিলো কোনো সহায়-সম্বল; কিন্তু ভালোবাসা ছিলো নিখাদ- দেশমাতার শ্যামল ছায়ার জন্য।

এটি মুক্তিযুদ্ধের ওপর পরিচালক হিসেবে হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় চলচ্চিত্র। এটি মুক্তি পেয়েছিল ২০০৩ সালে। ছবিতে মুক্তিযোদ্ধা চরিত্রে দেখা গিয়েছিল প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা হুমায়ূন ফরীদিকে। আরও অভিনয় করেছেন রিয়াজ, মেহের আফরোজ শাওন, স্বাধীন খসরু, শিমুল, চ্যালেঞ্জার, ফারুক আহমেদ, ডা. এজাজ ও তানিয়া আহমেদ।

জয়যাত্রা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন একদল মানুষের হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ, মৃত্যু ও বেঁচে থাকার সংগ্রামের গল্প আছে এই সিনেমায়। যারা যুদ্ধ দেখেছেন তাদের মনে হবে- এ তো আমারই গল্প’।

জয়যাত্রা মুক্তি পায় ২০০৪ সালে। প্রয়াত চলচ্চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেনের কাহিনি অবলম্বনে এই ছবির সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেন তৌকীর আহমেদ। ছবির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আজিজুল হাকিম, বিপাশা হায়াত, মাহফুজ আহমেদ, হুমায়ূন ফরীদি, তারিক আনাম খান, আবুল হায়াত ও চাঁদনী।ৎ

গেরিলা

নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত এই ছবিটি মুক্তি পায় ২০১১ সালে। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত ছবিটিতে অভিনয় করেন শতাধিক শিল্পী। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস। আরও আছেন এটিএম শামসুজ্জামান, রাইসুল ইসলাম আসাদ, পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী ওয়াদুদ, শম্পা রেজা, গাজী রাকায়েত প্রমুখ।

আমার বন্ধু রাশেদ

‘আমার বন্ধু রাশেদ’ পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম। তখন থেকেই উপন্যাসটি নিয়ে চলচ্চিত্র তৈরির কথা ভাবছিলেন তিনি। উপন্যাসটি পড়ে এতটা আবেগপ্রবণ হওয়ার মূল কারণ, উপন্যাসের গল্পটি অনেকটাই মিলে যায় তার নিজের জীবনের সঙ্গে। এই উপন্যাসের নায়ক রাশেদ মাত্র এইটে পড়ার সময় ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধে। মুক্তিযুদ্ধের সময় মোরশেদুল ইসলামও ক্লাস এইটে পড়ছিলেন। ফলে উপন্যাসটি পড়ার সময় নায়কের সঙ্গে নিজের শৈশবকেও কিছুটা মিলিয়ে দেখেন তিনি। রাশেদের সঙ্গে নিজেকে একাকার করে তিনি নিজেও অনুভব করেন যুদ্ধের উত্তেজনা।

এমন আরো বেশকিছু সিনেমা নির্মিত হয়েছে যা দেখে বাঙালির স্মৃতিপটে মুক্তির যুদ্ধ শাণিত হয়। প্রতিটি হৃদয় হয় দেশপ্রেমে উজ্জীবিত।

এনএন/কেএসএইচ
ডিজিটাল ক্যামেরার একটা মাত্র ক্লিকেই এখন বন্দি হয়ে যায় হাজারো দৃশ্য। মেমোরি কার্ডের ছোট্ট একটা চিপে জমা থাকে আস্ত সিনেমা। কিন্তু এইতো সেদিনও এমন ছিেলা না। সিনেমার সেট মানেই ছিেরা যেন এক...
দক্ষিণী সিনেমার ‘থালাপতি’ বিজয় এখন তামিলনাড়ুর দাপুটে মুখ্যমন্ত্রী। স্বাভাবিকভাবেই দিনরাত কাটছে তাঁর রাজনীতির ময়দানে, একের পর এক হাই-প্রোফাইল বৈঠক আর গুরুদায়িত্ব সামলাতে। ওদিকে গ্ল্যামার দুনিয়ার টপ...
চলচ্চিত্র দুনিয়ার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামল এক জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। এবারের উৎসবে সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের সংঘাত নিয়ে নির্মিত নরওয়েজিয়ান...
দক্ষিণী সিনেমার পর্দায় তিনি ‘দেবসেনা’ হয়ে তলোয়ার চালিয়েছেন, জয় করেছেন কোটি ভক্তের হৃদয়। কিন্তু বাস্তবের ‘বাহুবলী’ কে? এই প্রশ্ন যেন গত কয়েক বছর ধরে ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে বড় রহস্যের একটি। কথা হচ্ছে...
সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আইন সংশোধনের বিষয়টা আইনগত ব্যাপার। আমরা প্রস্তাব পাঠাবো স্থানীয় সরকার বিভাগকে। স্থানীয় সরকার বিভাগ যদি আমাদের প্রস্তাব উপযুক্ত মনে করেন তাহলে তারা সেভাবে ব্যবস্থা নিবেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও যুদ্ধ উত্তেজনা প্রশমনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে আবার কূটনৈতিক আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান ও কাতার। 
ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিট (এনটিটি)- এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে আটক হয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয়...
রোববার নিউ জার্সির রাতে লাল জার্সিতে দ্বিতীয় নক্ষত্র খোদাই করে বিশ্বজয়ের নতুন ইতিহাস লিখেছে স্পেন। তবে আর্জেন্টিনাকে অতিরিক্ত সময়ের ১-০ গোলে হারিয়ে ঐতিহাসিক বিশ্বজয়ের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে ঠিক কী ঘটেছিল...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর