সরকার যদি বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করে বাণিজ্যিকভাবে সরাসরি দোকানের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারে তাহলে ভর্তুকির পরিমাণ কমবে বলে মনে করেন বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীও বললেন, টিসিবির পাশাপাশি আগামী জুলাই মাস থেকে স্থায়ী দোকানের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করা যায় কি না, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন তারা। যদিও ব্যাপক অনিয়ম আর দুর্নীতির ফলে, এমন উদ্যোগ আশির দশকে একবার ভেস্তে গিয়েছিলো।
টিসিবি সূত্র জানায়, মে মাসে চিনি আর পেঁয়াজ বিক্রি করবে না টিসিবি। ফলে, ১০০ টাকা দরে সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, ৩০ টাকা দরে পাঁচ কেজি চাল এবং ১২০ টাকায় দুই কেজি মসুর ডাল কিনে সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে টিসিবির এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারীর।
সোমবার রাজধানীর বারিধারা পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধনে গিয়ে বাণিজ্য সচিব বলেন, এক কোটি মানুষকে পণ্য দেয়া মানে ১০ হাজার কোটি টাকার কর্মযজ্ঞ। বিদেশ থেকে সরাসরি পণ্য এনে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করতে পারলে সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ কমতো।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীও বললেন, জুলাই থেকে স্থায়ী দোকানের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্য বিক্রি করা যায় কিনা তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ আলোচনা করবেন তারা।
স্থায়ী দোকানের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম আশির দশকের শুরুতে টিসিবির মাধ্যমে একবার শুরু করেছিলো সরকার। তখন ব্যাপক দুর্নীতি আর লোকসান করে জনগণের টাকা ধ্বংসের পর প্রাইভেট সেক্টরে লাইসেন্স পারমিট দেয়া হয়। ফলে ১৭ কোটি মানুষে বাজারে এমন উদ্যোগ আবারও সমুদ্র চুরি আর ব্যর্থতায় যে রূপ নেবে না, সেটা ভাবা অমূলক নয়।
কারও সঙ্গে একীভূত হবে না এনবিএল