ডেঙ্গুর ভয়াবহ রূপ দিনদিন বাড়ছে। ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলো রোগী সামাল দিতে পারছে না। বিশেষ সেবা পাওয়ার বদলে সাধারণ রোগীদের সাথেই ঠাঁই হচ্ছে ডেঙ্গু আক্রান্তদের। রোগীর চাপ সামলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা।
পটুয়াখালীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চাপ কমছেই না। ওয়ার্ডে জায়গা না পেয়ে বারান্দা ও সিঁড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা। এছাড়া মেঝেতে রোগী থাকায় মশারি টানানোর উপায় নেই।
বৃষ্টি পুরোপুরি না থামা পর্যন্ত ডেঙ্গু থেকে স্বস্তি পাওয়ার সুযোগ নেই বলছেন চিকিৎসকরা।
বরগুনার হাসপাতালে রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত স্যালাইন ও ওষুধ সরবরাহ না থাকায় বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়ছেন রোগীর স্বজনরা।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড খোলা হলেও রোগীর চাপ বাড়ছেই। যে কারণে সব রোগীকে একসঙ্গে রাখা হচ্ছে।
লক্ষ্মীপুরেও হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় বিশেষ সেবা পাওয়ার বদলে সাধারণ রোগীদের সাথেই ঠাঁই হচ্ছে ডেঙ্গু আক্রান্তদের। জেলাবাসীর অভিযোগ, এডিস মশা নির্মূলে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নেই।
এদিকে কুমিল্লা জেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমলেও আশপাশের জেলার রোগীরা মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসাপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ডেঙ্গুর ধরন বদলে গেছে তাই জ্বর হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার কথা বলছেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, আমরা আশা করি আস্তে আস্তে রোগী কমবে। সব রোগী ভালো আছেন এবং আমাদের মনিটরিংয়ে আছেন। কোনো ধরনের সমস্যা হলে আমরা তা সমাধানের চেষ্টা করছি।
অন্যদিকে রাজবাড়ীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ৪৪ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে জেলা সদরসহ উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রয়েছে একশ' জনেরও বেশি।
একাত্তর/আরবিএস
জ্বর ছাড়াই ডেঙ্গু হচ্ছে
ডেঙ্গুতে ১৪ মৃত্যুর দিনে হাসপাতালে ভর্তি ২৮৬৫