চলতি বছরের শেষের দিকে আন্তর্জাতিক বিমান চালুর কথা ভাবছে ভারত সরকার। বৈশ্বিক মহামারী করোনায় প্রায় ২০ মাস বন্ধ থাকার পর আবারও স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার কথা ভাবছে দেশটি। খবর এনডিটিভির।
আজ বুধবার (২৪ নভেম্বর) দেশটির বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব রাজীব বনসাল এসব তথ্য দেন।
করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ২০২০ সালের মার্চে দেশজুড়ে লকডাউন জারি করে ভারত সরকার। সেই সময় প্রত্যাবাসন মিশনে নিযুক্ত এবং ওষুধ ও খাবারের মতো প্রয়োজনীয় পণ্য-সামগ্রী পরিবহনের বিমান বাদে আন্তর্জাতিক সব ফ্লাইট চলাচল স্থগিত হয়ে যায়।
দীর্ঘ প্রচেষ্টায় বিরাট সংখ্যক মানুষের জন্য টিকা নিশ্চিত এবং সংক্রমণ হ্রাস পাওয়ায় বর্তমানে বিধি-নিষেধে শিথিলতা আনা হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের অন্তত ২৫টি দেশের সঙ্গে ভারতের ‘এয়ার বাবল’ চুক্তি রয়েছে।
আরও পড়ুন: আরো পাঁচ মাস পর খুলবে নিউজিল্যান্ডের দুয়ার
এয়ার বাবল ব্যবস্থাপনার আওতায়, আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনকারী ফ্লাইটগুলো সদস্য দেশগুলোর নিজ নিজ বিমান সংস্থার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু শর্তসাপেক্ষে একে অপরের অঞ্চলে যাত্রী পরিবহন করে থাকে।
এর আগে গত সপ্তাহে ভারতের বেসামরিক পরিবহন মন্ত্রী জোতিরাদিত্য সিনদিয়া বলেন, দেশের সরকার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া মূল্যায়ন করছে। তিনি বলেন, ভারতের সরকার আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরানোর ব্যাপারে আশাবাদী হলেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণের নতুন ঢেউ থেকে রক্ষায় ব্যবস্থা নেবে।
মহামারি চলাকালীন অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট রুটেও একই বিধিনিষেধ জারি করার পর গত মাসে প্রথমবারের মতো পূর্ণ সক্ষমতায় যাত্রী পরিবহনের অনুমতি পায় দেশটির অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনাকারী বিমানসংস্থাগুলো।
প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহন পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্তের পর গত ১৫ নভেম্বর থেকে পর্যটন ভিসা দেওয়া শুরু করে ভারত।
একাত্তর/টিএ
