অবশেষে অবসরে যাচ্ছে মঙ্গল গ্রহে থাকা ‘ইনসাইট ল্যান্ডার’

আপডেট : ১৮ মে ২০২২, ০২:৪৬ পিএম

প্রায় চার বছর ধরে মঙ্গলের মাটিতে এর গঠন প্রকৃতি নিয়ে অনুসন্ধান শেষে নাসার ইনসাইট ল্যান্ডার চলতি গ্রীষ্মে অবসর নিতে যাচ্ছে। ল্যান্ডারের সৌর প্যানেলে মঙ্গলের ধুলোয় ঢেকে যাওয়ায় এর শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। - খবর বাসস।

২০১৮ সালের ৫ মে ইনসাইট ল্যান্ডার মঙ্গলে যাত্রা করে এবং ২৬ নভেম্বর এটি মঙ্গলে অবতরণ করে। এর আনুষ্ঠানিক মেয়াদ গত ১৮ মে শেষ হলেও এটি এখনো সক্রিয় আছে। সৌর প্যানেল ধুলোয় ঢেকে যাওয়ার শক্তি ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। পাওয়ার সংরক্ষণ ব্যাটারিও নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছে।

যদিও এই ল্যান্ডার বিশ্বের বিজ্ঞানীদের জন্য বিপুল ডাটা সংগ্রহ করে পাঠিয়েছে, বহু বছর ধরে এই তথ্যের ওপর গবেষণা চলবে। এই প্রোবের পাঠানো তথ্য গ্রহের গঠন প্রকৃতি বুঝতে সহায়ক হবে। মঙ্গলবার (১৭ মে) নাসা ইনসাইট ল্যান্ডারের এই আসন্ন সমাপ্তির কথা জানায়।

ফ্রান্সের তৈরি আলট্রা-সেনসিটিভ সিসমোমিটারে সজ্জিত এই ইনসাইট ল্যান্ডার এ পর্যন্ত মঙ্গলের ভূপৃষ্ঠে ১,৩০০ বেশী ভূমিকম্প রেকর্ড করেছে। এর মধ্যে গত ৪ মে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করেছে। তবে জুলাই নাগাদ সিসমোমিটার বন্ধ হয়ে যাবে। 

ল্যান্ডারটির শক্তিস্তর এখন দিনে একবার নেয়া হবে এবং কিছু পরীক্ষা করা হবে। ছবি এখনো পাওয়া যেতে পারে। এর পর ২০২২ সালের শেষ নাগাদ মিশন পুরোপুরি শেষ হবে।

ল্যান্ডারটির দুটো সোলার প্যানেল রয়েছে, প্রতিটি প্রায় ৭ ফুট প্রশস্ত। প্রায় চার বছর ধরে মঙ্গলের মাটিতে এই সোলার প্যানেল ধুলোয় ঢেকে গেছে। ইনসাইট এখন তার শক্তির ১০ ভাগের এক ভাগ মাত্র ব্যবহার করছে। শিগগিরই এর ব্যাটারি নিঃশেষিত হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন: কান উৎসবে ভাষণ দিয়ে চমক দেখালেন জেলেনস্কি

মঙ্গলে ল্যান্ডারে ধুলোর আস্তরণ জমা হওয়া সম্পর্কে নাসার বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল। রোবোটিক বাহু দিয়ে সৌর প্যানেলের ধুলো সরানোর কারণে ল্যান্ডারটি নতুন করে এক বছরের জন্য আয়ু ফিরে পায়, ছয় বার এই ধুলো পরিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলের মাটিতে বর্তমানে চারটি মিশন রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পারসিভিয়ারেন্স ও কিউরিসিটি। চীনের ঝুরঙ এবং নাসার ইনসাইট ল্যান্ডার। সবগুলোই ২০১৮ সাল থেকে মিশনে রয়েছে। 

ইনসাইট ল্যান্ডার মঙ্গলের গঠন ও ভূস্তর সম্পর্কে আরও নতুন তথ্য জানার সুযোগ করে দিয়েছে যা আগের অনেক ধারণা পাল্টে দিয়েছে।


একাত্তর/এসজে
৫৪ বছর পর আবার চাঁদের পথে পা বাড়িয়েছে মানুষ। বুধবার নাসার একটি রকেটে চড়ে চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন চার নভোচারী।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ৯ মাস ধরে আটকে থাকার পর অবশেষে পৃথিবীতে ফিরছেন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার দুই নভোচারী সুনিতা উইলিয়ামস ও বুচ উইলমোর।
মহাকাশে নতুন ইতিহাস গড়লো নাসা। সূর্যের সবচেয়ে কাছে যাওয়ার বিরল কৃতিত্ব দেখালো মার্কিন মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার একটি মহাকাশযান।
এখনও পৃথিবীতে ফিরতে পারেননি তারা। কারণ, যে যানটিতে চড়ে মহাকাশে পাড়ি দেন, সেটি হঠাৎ করে বিগড়ে যাওয়াতে নির্ধারিত সময়ে তাদের আর ফেরা হয়নি। 
বিশ্বকাপ ফুটবলের মঞ্চে আলো ছড়ানো খেলোয়াড়দের ঘিরে বিশ্বজুড়ে সদ্য সমাপ্ত মধ্য বছরের ট্রান্সফার উইন্ডোতে রেকর্ড বাণিজ্য হয়েছে। ফুটবল সংস্থা ফিফা বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক এই...
প্রাকৃতিক আবহাওয়াগত প্রক্রিয়া হিসাবে পরিচিত 'এল নিনো'র প্রভাব বিশ্বজুড়ে দৃশ্যমান হতে শুরু করায় পৃথিবী চরম আবহাওয়ার এক বিপজ্জনক অঞ্চলে প্রবেশ করেছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব...
গভীর ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও বৈশ্বিক উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা থেকে শত শত কোটি ডলার সমমূল্যের স্বর্ণের রিজার্ভ যুক্তরাজ্যে সরিয়ে নিয়েছে নেদারল্যান্ডস। বুধবার ডাচ সেন্ট্রাল ব্যাংক...
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি ও জন্মাষ্টমী শুক্রবার। ন্যায়নীতি, সত্য ও সুন্দরকে প্রতিষ্ঠা এবং দুষ্টের দমন করে মানবজাতির কল্যাণের লক্ষ্যে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের এই...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর