যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনান্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাসায়
এফবিআই'র তল্লাশির ঘটনার কঠোর সমালোচনা করেছেন কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের শীর্ষ নেতারা।
দাপ্তরিক নথিপত্র ব্যবস্থাপনা তদন্তের জন্য ট্রাম্পের বাসভবনে এই তল্লাশি চালায় এফবিআই। এ ঘটনা তদন্তে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন রিপাবলিকান নেতারা।
অনেকে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ডকে সরিয়ে দেয়ারও দাবি তুলেছেন। মাইক পেন্স ঘটনার দায় মেরিক গারল্যান্ডের ওপর চাপিয়েছেন।
রিপাবলিকান সিনেটের সেথ উইদারস ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের বাড়িতে তল্লাশিকে ‘বিস্ময়কররকম বাড়াবাড়ি’ বলে মন্তব্য করেছেন।
মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান সংখ্যালঘিষ্ঠ নেতা কেভিন ম্যাককার্থি ক্ষোভ জানিয়ে বলেছেন, বিচার বিভাগ আগ্রাসী রাজনীতিকীকরণের এক অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

রিপাবলিকানরা আবার প্রতিনিধি পরিষদের দখল ফিরে পেলে বিচার বিভাগের তদন্ত করবে বলে অ্যাটর্নি জেনারেল গারল্যান্ডকে ধামকিও দেন তিনি।
যদিও বলা হচ্ছে, সরকারি কাগজপত্র নাড়াচাড়ায় ট্রাম্পের অসাবধানতা এবং হোয়াইট হাউজের গোপন নথি সরানোর অভিযোগ তদন্তের আওতায়ই এফবিআই এ তল্লাশি চালিয়েছে।
এদিকে তল্লাশী চালানোর খবর জানার পরই ট্রাম্পের অনেক সমর্থক মার-এ-লাগো নামের বিলাসবহুল বাড়িটির সামনে ভিড় করেন।
আরও পড়ুন: ‘লজ্জাজনক’ হোয়াইটওয়াশ এড়াতে মরিয়া বাংলাদেশ
রিপাবলিকানদের একের পর এক এমন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া এবং অভিযোগের মধ্যে ট্রাম্প এবং রিপাবলিকান পার্টি উভয়ই ফায়দা লোটার চেষ্টায় আছে।
আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলের সদস্যদের জন্য তহবিল সংগ্রহে এই ইস্যুকে কাজে লাগাচ্ছে তারা। ট্রাম্পকে সমর্থনের আহ্বান জানিয়ে পাঠানো হচ্ছে ইমেইল এবং টেক্সট।
একাত্তর/আরবিএস
