প্রায় ২০ বছর বিনা বিচারে বন্দী থাকার পর মুক্তি পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের গুয়ানতানামো বে কারাগারের সবচেয়ে পুরনো বন্দী।
রোববার (৩০ অক্টোবর) আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সাইফুল্লাহ পারাচা নামের ওই পাকিস্তানি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলে, 'বিদেশে বন্দী একজন পাকিস্তানি নাগরিক অবশেষে তার পরিবারের সাথে মিলিত হওয়ায় আমরা অত্যন্ত খুশি'।
একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অর্থায়নের অভিযোগে ২০০৩ সালে থাইল্যান্ডে গ্রেপ্তার হন পারাচা। তবে বরাবরই নিজেকে নির্দোষ দাবি করে এসেছেন তিনি।
এবছরের মে'তে যুক্তরাষ্ট্র পারাচার মুক্তি অনুমোদন দিয়ে বলে, তিনি 'আর যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি নন'।
গুয়ানতানামোর বেশিরভাগ বন্দীর মতই, প্রায় ৭৫ বছর বয়সী পারাচার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ গঠন করা হয়নি এবং নিজের বন্দিত্বকে চ্যালেঞ্জ করা মতো যথেষ্ট আইনি ক্ষমতাও তার ছিল না।
নাইন ইলেভেনের পর সন্দেহভাজন আল-কায়েদা সদস্যদের বন্দী করার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয় গোপনীয় গুয়ানতানামো বে কারাগার।
আরও পড়ুন: শস্য রপ্তানি চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ালো রাশিয়া
যুক্তরাষ্ট্রের 'সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ'-র অংশ হিসেবে সেখানে ৭৮০ জনকে বন্দী করা হয়। পরে ৭৩২ জনকে মুক্তদি দিলেও, এদের মধ্যে অনেকেই কোনও ধরণের আইনি সহায়তা ছাড়াই এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বন্দী ছিলেন।
মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে কুখ্যাত এই কারাগারে বর্তমানে ৩৫ জনের মতো বন্দী রয়েছেন।
একাত্তর/এসজে
