দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ২০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র দাবদাহ

আপডেট : ০৭ জুন ২০২৩, ০৪:০৬ পিএম

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে তীব্র দাবদাহ বিগত ২০০ বছরের সব রেকর্ড ভেঙেছে। গেলো এপ্রিল মাস ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জন্য সবচেয়ে উষ্ণতম মাস।  

মার্কিন সংবামাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশনের (ডব্লিউডাব্লিউএ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাধারণত এপ্রিল এবং মে মাস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় উষ্ণতম মাস। কিন্তু চলতি বছর এই দুই মাস শেষ হওয়ার পরও দেশগুলো যে পরিমাণ দাবদাহের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তা আগে কখনো দেখা যায়নি।  

তীব্র দাবদাহের কারণে ঝুঁকির মুখে পড়েছে এসব অঞ্চলের জনস্বাস্থ্য। তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব পড়ছে ফসল উৎপাদনেও। 

image


থাইল্যান্ডে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ এপ্রিল। সেদিন দেশটিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১১৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট)। থাইল্যান্ডের প্রতিবেশী দেশ লাওসে মে মাসে টানা দুদিন তাপমাত্রা ছিল ৪৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অন্যদিকে ভিয়েতনামের সর্বকালের তাপমাত্রার রেকর্ডও ভেঙে যায়। মে মাসের শুরুর দিকে ভিয়েতনামের গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১ জুন, দেশটির তাপমাত্র ৪৩ দশমিক ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াসে (১১১ ডিগ্রি ফারেনহাইট) পৌঁছায়। 

image

আরও পড়ুন: মেসি নাকি হলান্ড, কার হাতে উঠছে ব্যালন ডি'অর?

ডব্লিউডাব্লিউএ বলছে, মানব সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়া তাপমাত্রার এ রেকর্ড "কার্যত অসম্ভব"। দূষণের কারণে এসব দেশের বড় বড় শহরগুলোতে ধোঁয়াশার পরিমাণও বেড়ে গেছে যা তাপমাত্রা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। 

বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আরও সতর্ক হতে হবে। এ বিষয়ে দেশগুলোর সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে তীব্র দাবদাহ পুড়ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো। 


একাত্তর/আরবিএস   
বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলছেন, শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে সামনের দিনগুলোতে তাপপ্রবাহ, খরা ও দাবানলের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে দাবানল, বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
জাপানের পশ্চিমাঞ্চলে মঙ্গলবার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ২। তবে দেশটির আবহাওয়া কার্যালয় জানিয়েছে, সুনামির কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি।
প্রবল বর্ষণ, আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ কাদা-ধসের কবলে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া। বুধবার থেকে শুরু হওয়া এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় কর্তৃপক্ষ বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
বিশ্বকাপ ফুটবলের মঞ্চে আলো ছড়ানো খেলোয়াড়দের ঘিরে বিশ্বজুড়ে সদ্য সমাপ্ত মধ্য বছরের ট্রান্সফার উইন্ডোতে রেকর্ড বাণিজ্য হয়েছে। ফুটবল সংস্থা ফিফা বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক এই...
প্রাকৃতিক আবহাওয়াগত প্রক্রিয়া হিসাবে পরিচিত 'এল নিনো'র প্রভাব বিশ্বজুড়ে দৃশ্যমান হতে শুরু করায় পৃথিবী চরম আবহাওয়ার এক বিপজ্জনক অঞ্চলে প্রবেশ করেছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব...
গভীর ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও বৈশ্বিক উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা থেকে শত শত কোটি ডলার সমমূল্যের স্বর্ণের রিজার্ভ যুক্তরাজ্যে সরিয়ে নিয়েছে নেদারল্যান্ডস। বুধবার ডাচ সেন্ট্রাল ব্যাংক...
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি ও জন্মাষ্টমী শুক্রবার। ন্যায়নীতি, সত্য ও সুন্দরকে প্রতিষ্ঠা এবং দুষ্টের দমন করে মানবজাতির কল্যাণের লক্ষ্যে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের এই...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর