মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির তীব্র লড়াই চলছে। এরই মধ্যে রাখাইনের মিনবিয়া শহরে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ৩৮০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর দখলে নেওয়ার দাবি করেছে আরাকান আর্মি। এদিকে মিয়ানমারে স্নাইপারের গুলিতে হেলিকপ্টারে থাকা এক ব্রিগেডিয়ার জেনারেলসহ নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য নিহত হয়েছেন।
আরাকানের স্বাধীন সত্ত্বা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সশস্ত্র সংগ্রাম করে যাচ্ছে আরাকান আর্মি। কিছুদিন থেকেই তাদের সাথে জান্তা বাহিনীর ব্যাপক লড়াই চলছে । রাখাইনের ম্রাউক ইউ, কিয়াকতাও ও রাথেডং এলাকায় জান্তা বাহিনীর সঙ্গে এখনো আরাকান আর্মির লড়াই ব্যাপক লড়াই চলছে।
এক বিবৃতিতে আরাকান আর্মি দাবি করেছে, জান্তা সৈন্যরা মুখোমুখি লড়াই করতে পারছে না। তারা এখন আরও বেশি গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলা চালাচ্ছে। গত শনিবার জান্তা বাহিনীর গোলাবর্ষণে এই শহরের চার বাসিন্দা নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে।
আরাকান আর্মি বলেছে, শনিবার রাতেও পাকতাও শহরে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ওয়াই-টুয়েলভ সামরিক পরিবহন বিমান থেকে বোমা হামলা চালানো হয়েছে। আর স্থানীয় বাসিন্দারা বলেছেন, জান্তা সৈন্যরা রামরি শহরে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলা চালিয়ে আসছে।
গত বছরের নভেম্বরে রাখাইন রাজ্যে নতুন করে লড়াই শুরু হবার পর থেকে দক্ষিণ চিন রাজ্যের পালেতওয়া ও উত্তর রাখাইনে জান্তা বাহিনীর ১৬০টিরও বেশি ঘাঁটির দখল নিয়েছে আরাকান আর্মি।
শুধু রাখাইন নয়, পুরো মিয়ানমারেই জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধ লড়ছে বেশ কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠী। সোমবার থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছে স্নাইপারের গুলিতে হেলিকপ্টারে থাকা এক ব্রিগেডিয়ার জেনারেলসহ নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য নিহত হয়েছেন। মিয়ানমারের থিনগানিনাউং শহরে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নাম আয়ে মিন নাউং। তার এক ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ও কপ্টারের দুই পাইলটও নিহত হয়েছেন । হামলার দায়ও কেউ স্বীকার করেনি । তবে কয়েক মাস ধরে থিনগানিনাউং শহরের কাছে দেশটির মিয়াওয়াদ্দি শহরে জান্তা বাহিনীর সাথে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সংঘাত চলছে।
সবার চোখ সংসদ অধিবেশনে, যে কারণে এত আগ্রহ