ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সংকটের বিষয়টি সামনে এসেছে। এ পরিস্থিতিতে হোয়াইট হাউজের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা আগামী শুক্রবার জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সামরিক হামলার পর অস্ত্র ও গোলাবারুদের উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
রয়টার্সের বরাত দিয়ে ইরানভিত্তিক পার্সটুডে জানিয়েছে, মার্কিন অস্ত্র নির্মাণকারী ঠিকাদার কোম্পানিগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলার কারণে অস্ত্রের মজুদ কমে আসায় ট্রাম্প প্রশাসন জরুরি উদ্যোগ হিসেবে এই বৈঠকের আয়োজন করছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউজ অস্ত্র নির্মাণকারী কোম্পানিগুলোকে উৎপাদনের গতি বাড়ানোর জন্য কঠোর বার্তা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট এক সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অস্ত্রের ঘাটতি দ্রুত পূরণ করা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানে পরিচালিত সামরিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও উন্নত অস্ত্র ব্যবহারের ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে দ্রুত তাদের অস্ত্রভাণ্ডার পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে হচ্ছে। এছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আগ্রসন চালানো সম্ভব হবে না যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের।
এর আগে ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ এবং গাজায় ইসরাইলের অভিযানের সময় যুক্তরাষ্ট্র বিলিয়ন ডলার মূল্যের আর্টিলারি ব্যবস্থা, গোলাবারুদ ও অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছিল। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান সংঘাতে ব্যবহৃত দীর্ঘ-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরিমাণ ইউক্রেনে সরবরাহ করা অস্ত্রের তুলনায় অনেক বেশি।
নেপাল নির্বাচন: তরুণ বনাম প্রবীণ প্রজন্মের রাজনৈতিক লড়াই
ইরান-ইসরাইল: যুদ্ধ ষষ্ঠ দিনে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা