নেপালে ২০ হাজার বাড়ি নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ

আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৭ পিএম

গেলো ২৬ আগস্টের হিমালয় হিমবাহ ধস এবং তার পরবর্তী ধ্বংসাত্মক আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে অন্তত ২০ হাজার বাড়িঘর নতুন করে নির্মাণ করতে হবে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এই চরম মানবিক বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,২০৪ জনে, এবং চার হাজারেরও বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। বাড়িঘর ধ্বংসের পাশাপাশি চীন সীমান্ত সংলগ্ন পুরো জনপদগুলো পলি ও কাদার নিচে ঢাকা পড়েছে।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান ধর্মরাজ উপ্রেতি জানান, প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী অন্তত ৭,৫০০ বাড়িঘর সম্পূর্ণভাবে ধসে গেছে বা কাদায় চাপা পড়েছে।


এর পাশাপাশি অক্ষত থাকা অনেক বাড়িও বসবাসের উপযোগিতা পুরোপুরি হারিয়েছে। ফলে প্রায় ২০ হাজার পরিবারকে নতুন ঠিকানায় পুনর্বাসিত করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে আর বাড়ি নির্মাণ করার সুযোগ নেই; তাই স্থানান্তরিতদের জন্য নতুন ও নিরাপদ এলাকা চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।

নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ জানান, নিখোঁজদের সন্ধানের পাশাপাশি সরকার এখন ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক পুনর্বাসন ও পুনর্নির্মাণে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিচ্ছে।

চীন, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে আটকে পড়া কর্মীদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে।


বিশেষ করে 'আপার ত্রিশূলী-১' প্রকল্পের কাছে দক্ষিণ কোরীয় একটি বিশ্বমানের উদ্ধারকারী দল ড্রোন, স্নাইফার ডগ, শাব্দিক তরঙ্গ সনাক্তকরণ সরঞ্জাম ও থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা নিয়ে নিখোঁজ নয়জন কোরীয় কর্মীসহ অন্য শ্রমিকদের উদ্ধারে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন।

জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করতে নেপালের জরুরি পরিচালন কেন্দ্রগুলো শিশুদের শিক্ষার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা 'ইউনিসেফ' সতর্ক করে জানিয়েছে, অন্তত ২২ হাজার শিশু অবিলম্বে নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার ঝুঁকিতে রয়েছে।


সাময়িকভাবে তৈরি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে বা আশেপাশের নিরাপদ কোনো ভবনে শিশুদের পাঠদান পুনরায় চালুর চেষ্টা করছেন শিক্ষকরা। অন্যদিকে ভবিষ্যতে সীমান্ত এলাকায় এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা পেতে ভূমিকম্প পরিমাপক সেন্সর, ক্যামেরা ও স্যাটেলাইট সংযোগ সমন্বয়ে একটি আন্তর্জাতিক মানের আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপাল সরকার।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স

একাত্তর/এআরএস
চীন সীমান্ত সংলগ্ন রাসুওয়াগাধির ৮৪ কিলোমিটার দক্ষিণে গালছির 'জেহ্রে' জলবিদ্যুৎ সাবস্টেশনটি এখন গত ২৬ আগস্টের প্রলয়ঙ্করী বন্যার তাণ্ডবের এক ভয়াবহ সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়েছে। ত্রিশূলী নদীর কোল ঘেঁষে...
হিমালয় ধসের ফলে নেপালে ঘটে যাওয়া প্রলয়ঙ্করী আকস্মিক বন্যায় যেখানে ১,২৫০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ, সেখানে চরম সহনশীলতা ও বেঁচে থাকার এক মানবিক প্রতীক হয়ে...
চীন সীমান্ত সংলগ্ন তিমুরে এলাকায় পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি কমাতে একটি অত্যাধুনিক আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা (আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম) গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে নেপাল। সম্প্রতি হিমবাহ ধসের...
হিমালয়ে ভয়াবহ হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নেপালে মৃতের সংখ্যা ১,২০০ ছাড়িয়েছে এবং এখনও প্রায় ৪,২০০ মানুষ নিখোঁজ। কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় টিচিং হাসপাতালের দেয়ালজুড়ে...
ঢাকার সবুজবাগ থানাধীন নন্দীপাড়া বড় মসজিদ এলাকা থেকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে স্বামীকে হত্যার কথা জানিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন রেহেনা আক্তার (৪০) নামে এক নারী।
চীন সীমান্ত সংলগ্ন রাসুওয়াগাধির ৮৪ কিলোমিটার দক্ষিণে গালছির 'জেহ্রে' জলবিদ্যুৎ সাবস্টেশনটি এখন গত ২৬ আগস্টের প্রলয়ঙ্করী বন্যার তাণ্ডবের এক ভয়াবহ সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়েছে। ত্রিশূলী নদীর কোল ঘেঁষে...
গেলো ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮৬ জনে। 
হিমালয় ধসের ফলে নেপালে ঘটে যাওয়া প্রলয়ঙ্করী আকস্মিক বন্যায় যেখানে ১,২৫০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ, সেখানে চরম সহনশীলতা ও বেঁচে থাকার এক মানবিক প্রতীক হয়ে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর