জলবায়ু পরিবর্তনে আগের মতো নেই দেশের ষড়ঋতু

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৩:১১ পিএম

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ছয় ঋতু এখন আর আগের মতো নেই, কমেছে শীতকালের স্থায়ীত্ব। হেমন্তেও নেই শীতের আমেজ। উল্টো অক্টোবর-নভেম্বর মাসে তাপমাত্রা বেড়েছে ১.৮ ও ১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, অক্টোবরে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় শীতের অনুভব হচ্ছে না। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ভূমি ও সমুদ্রের উষ্ণতার যে পার্থক্য তৈরি হয়েছে তাতে আগের মত আর শীতকালের দেখা মিলবে না।

জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় কারণ কার্বণ নিঃসরণ। উন্নত দেশগুলো তাদের চাহিদা মেটাতে গিয়ে অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণের কারণে ক্ষতির মুখে অনুন্নত দেশগুলো।

প্রতি বছর নিঃসরিত কার্বনের মধ্যে একা চীনই নিঃসরণ করে ২৯ দশমিক ১৮ শতাংশ কার্বন। যুক্তরাষ্ট্র ১৪ দশমিক ০২ শতাংশ, ভারত ৭ দশমিক ০৯ শতাংশ, রাশিয়া ৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

জাপান ৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ কার্বণ বাতাসে ছাড়ে। বাংলাদেশের কার্বণ নিঃসরণের হার শূণ্য দশমিক ২১ শতাংশ কিন্তু কার্বণ নিঃসরণের ফলে সৃষ্ট বিপর্যয়ের বড় শিকার বাংলাদেশ।

কার্বণ নিঃসরণের ফলে ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পৃথিবী। ১৮৫০ সালের পর থেকে ২০০০ সালে মধ্যে পৃথিবীর উষ্ণতা বেড়েছে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি হচ্ছে না। অসময়ের বৃষ্টি বাড়ছে। আর এর ফলে ক্ষতির মুখে বাংলাদেশসহ কৃষিভিত্তক দেশগুলা। ভূমি ও সমুদ্রপৃষ্ঠের মধ্যে তাপমাত্রার পার্থক্য কমছে। 

কমেছে রাত আর দিনের তাপমাত্রার পার্থক্যও। তাপমাত্রার বৃদ্ধি দুই ডিগ্রী সেলসিয়াসের মধ্যে রাখার প্রতিশ্রুতিও রক্ষা করা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন: সমুদ্র বন্দরসমূহে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ১০০ বছরের গবেষনায় দেখা গেছে, গ্রীষ্মকাল আগের তুলনায় দীর্ঘস্থায়ী ও উষ্ণ। 

মার্চ থেকে অক্টোবর গড় তাপমাত্রা বেড়েছে এক থেকে ১.৩ ডিগ্রি। শীতকাল ছোট হয়েছে। তাই মধ্য অক্টোবরেও রাজধানীতে শীতের দেখা নেই। 

বাতাসে কার্বণ বাড়ার পাশাপাশি অপরিকল্পতি নগরায়ণ, জলাভূমি ভরাট, সবুজায়ন কমে যাওয়াও তাপমাত্রা বাড়াছে। জলবায়ুজনিত ক্ষতি মোকাবেলায় গড়তে হবে পরিকল্পতি নগর। 

কার্বণ নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ২০৫০ সালে ১.৪ ও ২১০০ সালে ২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়তে পারে। যা মানব সভ্যতার জন্য বড় হুমকি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

একাত্তর/এআর

সৌদি আরবে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি নুরুল হকের পরিবার সরকারের কূটনৈতিক সহায়তায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ক্ষতিপূরণের অর্থ বুঝে পেয়েছে। প্রাপ্ত এই সহযোগিতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানাতে নিহতের স্বজনেরা আজ...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফিরে আসার পথ উন্মুক্ত করা হলে তা হবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি।
সৌদি আরবে সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি নারী ও পুরুষের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত...
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ গণমাধ্যম। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গণমাধ্যমের সব থেকে বেশি ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিডিয়া যদি...
সৌদি আরবে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি নুরুল হকের পরিবার সরকারের কূটনৈতিক সহায়তায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ক্ষতিপূরণের অর্থ বুঝে পেয়েছে। প্রাপ্ত এই সহযোগিতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানাতে নিহতের স্বজনেরা আজ...
বরগুনার বেতাগীতে কিশোর গ্যাং, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, অবৈধ দখলবাজি এবং ছড়িয়ে পড়া অনলাইন জুয়া চিরতরে নির্মূল করতে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) দুই মাসের (৬০ দিন) সময়সীমা বেঁধে...
কেউ যদি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, তবে সে বিষয়ে আইন ও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, এখানে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন...
দেশে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসা ব্যবস্থার মতো স্পর্শকাতর খাতগুলোতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর চরম অকার্যকারিতা ও ব্যর্থতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের তীব্র সমালোচনা...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর