কেউ যদি সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, তবে সে বিষয়ে আইন ও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, এখানে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সদ্য সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক বিতর্কিত ইস্যু প্রসঙ্গে এমনই মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান।
সোমবার সকালে ঝিনাইদহ পিটিআইয়ের (প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট) নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন ও বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন আইনমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ইশরাক ইস্যুতে তিনি সরকারের এই কড়া অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
সারের ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনার জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দল সবসময় সরকারের পদক্ষেপের বিরোধিতা করবে, এটিই স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি। তবে সারা দেশে শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গেই সারের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা স্বজনপ্রীতি ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি।
একই সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, আগের আইনি নিয়ম অনুযায়ীই নির্বাচন পরিচালিত হবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে বর্তমান আইনি কাঠামোতে কোনো বাধা নেই।
এর আগে সকালে মন্ত্রী ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির বিশেষ সভায় যোগ দেন। সভায় হাসপাতালটির চিকিৎসাসেবার সার্বিক মান উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ ও উন্নত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিশদ মতবিনিময় করেন তিনি।
অনুষ্ঠান ও মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান, জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান, সিভিল সার্জন ডা. কামরুজ্জামানসহ স্থানীয় প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও রাজনৈতিক দলের ঊর্ধ্বতন নেতরা উপস্থিত ছিলেন।
