দ্রুততর সময়ের মধ্যে সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অঙ্গীকার। আর সেই অঙ্গীকার পূরণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে ও আইনের বিধান অনুসরণ করে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম।
শনিবার (৫ মার্চ) চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে কনফারেন্স রুমে ‘পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্সে’ তিনি এসব কথা বলেন। বিচারপতি বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে সকাল ১০টার মধ্যে নিম্ন আদালতের কার্যক্রম শুরু করতে হবে। যাতে মামলার অনেকাংশ জট ও বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমে আসে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিচারপতি মোস্তফা জামান বলেন, দ্রুত সময়ে সবার জন্য ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গিকার। আর এই অঙ্গীকার পূরণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সাথে ও আইনের বিধান অনুসরণ করে কাজ করতে হবে।
আরও পড়ুন: ভোজ্য তেল নিয়ে সারাদেশেই চলছে তেলেসমাতি
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহানগর দায়রা জজ ইমরুল কায়েশ বলেন, অর্থপাচার আইন, দুদক আইন ও মাদক আইনের মামলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে সমন্বয় করে তদন্ত করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, মামলার তদন্ত প্রতিবেদন মামলার ভিত্তি রচনা করে দেয়। তদন্তের ক্ষেত্রে যে ধরণের অনিয়ম হয়ে থাকে সেগুলো উল্লেখ করে এরপর থেকে যেন সে ভুলগুলো না হয় সে বিষয়ে সর্তক করেন তিনি।
তদন্ত তদারকি কর্মকর্তাদের এই বিষয়ে নজরদারি বাড়ানোরও জন্য পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া দ্রুততর সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিল, সাক্ষীর উপস্থিতি বাড়ানো, আলামত হাজির করা, আলামত নিষ্পত্তি ইত্যাদি বিষয়ে তাগিদ ও দিক নির্দেশনা দেন তিনি।
তিনি আরো নির্দেশ দেন যে পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী, চোর, ছিনতাইকারী সব অন্য পেশাদার অপরাধীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
সভায় ডিএমপির বিভিন্ন থানার ২৫ জন ওসি, বিভিন্ন জোনের ডিসি, পিবিআই, র্যাব, দুদক, মাদক, জেল, পিপি, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সম্পাদক, বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালকদের প্রতিনিধি ও বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
একাত্তর/এআর
