পদ্মা বহুমুখী সেতু চালু হলে বেনাপোল, পায়রা ও মোংলা বন্দরের মধ্যে যোগাযোগ সহজ হবে। পণ্য পরিবহণে খরচ ও সময় দুটোই কমবে।
পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র গড়ে উঠবে নতুন নতুন শিল্প-কারখানা। স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এমন আশা জানিয়েছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী।
দেশের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষকে নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে পদ্মা সেতু। এই সেতু চালু হলে দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দরের সাথে সারাদেশের যোগাযোগ হবে সহজ।
কম সময় ও কম খরচে সারাদেশে পৌঁছানো যাবে বন্দরে খালাস হওয়া পণ্য। সব মিলিয়ে সেতু চালু হলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক পরিবর্তনের আশা করা হচ্ছে।
স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ গঠনের ২১তম বার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার রাজধানী হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভারত বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের নানা বিষয় উঠে আসে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘আঞ্চলিক বাণিজ্য, আন্তঃসংযোগ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে স্থলবন্দরের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভারও আয়োজন করা হয়।
এতে বিশেষ অতিথির ভাষণে ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেন, গেলো কয়েক বছর ধরেই ভারত-বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক বেড়েছে। ভবিষ্যতে এটি আরও বাড়বে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ৫০ বছরের গর্বের স্থাপনা পদ্মা সেতুর মাধ্যমে বেনাপোল, মোংলাও পায়রা বন্দর বিশেষ সুবিধা পাবে।
তিনি বলেন, পদ্মা সেতু হচ্ছে আমাদের মডেল। ওপর দিয়ে আকাশপথে বিমান যাবে, পদ্মা সেতু দিয়ে গাড়ি যাবে, রেল যাবে, নিচ দিয়ে নৌকা যাবে। এই ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি হচ্ছে।
স্থল বন্দর ও নৌবন্দরের পাশাপাশি বিমানবন্দর ব্যবহার করে কিভাবে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি রপ্তানি আরও বাড়ানো যায় সেটি নিয়ে আলোচনার কথা বললেন বক্তরা।
একাত্তর/এআর
