ভারতে ওড়িশায় তিন ট্রেনের সংঘর্ষের বহু হাতাহতের ঘটনার পর তিন যাত্রীর পরিবার তাদের স্বজনদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করতে পারছেন না জানিয়েছেন।
কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের খোলা হটলাইনে ফোন করে এই তিন জনের পরিবারের সদস্যরা তাদের স্বজনদের সন্ধান চেয়েছেন। তবে তারা কোন ট্রেনের যাত্রী ছিলেন, বা কোথায় যাচ্ছিলেন- এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায় নি।
দুর্ঘটনার পর মোট সাতজনের বিষয়ে হটলাইনে তথ্য এসেছে। তবে সরকারিভাবে কোনও তথ্য এখনো দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন উপ-হাইকমিশনের প্রেস সচিব রঞ্জন সেন।
যে সাতজনের তথ্য পাওয়া গেছে, তাদের মধ্যে কটকের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন দু’জন। ওই ট্রেনে থাকা দুইজন ফিরে এসেছেন কলকাতায়। আর তিন যাত্রীর পরিবার বাংলাদেশ হাই কমিশনের হট লাইনে ফোন করে জানিয়েছেন, তাদের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না তারা।
ওড়িশার বালেশ্বরে দুই যাত্রীবাহী ট্রেনসহ তিন ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে অন্তত ২৬১ জনে। আহত আরও সাড়ে ছয় শতাধিক মানুষ।
দুর্ঘটনায় মানুষের ছিন্ন-ভিন্ন দেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। এক বগির ওপর আরেক বগি উঠে লেপটে যায়। দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে করমন্ডল এক্সপ্রেস। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, চিকিৎসা ও ভ্রমণের জন্য পশ্চিমবঙ্গ থেকে দক্ষিণ ভারতে যাওয়া যাত্রীরা এই ট্রেন ব্যবহার করেন।
দুর্ঘটনার পরপরই বাংলাদেশিদের তথ্যের জন্য উপ-হাইকমিশনের হটলাইন নম্বরে (+৯১৯০৩৮৩৫৩৫৩৩) যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হয়।
ভারতের ওড়িশায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার পর দুই বাংলাদেশিকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। দুর্ঘটনায় আহত বাংলাদেশিদের কটকের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তারা নিজেদের সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার পরিস্থিতিতে ছিল না।
একাত্তর/আরবি
