পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে কক্সবাজারের মহেশখালীর কয়লাচালিত মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র। আগামী ডিসেম্বর নাগাদ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পুরোপুরি চালুর আশা করছেন কর্মকর্তারা।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক আবুল কালাম আজাদ জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মধ্যে প্রথমটি শনিবার পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে। এই ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ৬০০ মেগাওয়াট। এতে সফল হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের ডিসেম্বরে পুরোদমে উৎপাদন প্রক্রিয়ার উদ্বোধন করবেন।
বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১২০০ মেগাওয়াট। জাপানের উন্নয়ন সংস্থা ‘জাইকার’ সহায়তার প্রায় ৫১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মিত হচ্ছে।
সরকারের মেগা প্রকল্পগুলোর অন্যতম মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি জাপানের সহায়তার মোট প্রায় ৫১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এবং এটি প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর অন্যতম।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, পুরো প্ল্যান্টে প্রতিদিন ১০ হাজার টন ও প্রতিটি ইউনিটে পাঁচ হাজার টন কয়লা প্রয়োজন হবে। এখন পর্যন্ত দুই লাখ টন কয়লা সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং ৬৫ হাজার টন আগামী ৭ আগস্ট উৎপাদন এলাকায় পৌঁছবে।
প্রকল্প পরিচালক জানান, জাহাজ থেকে সরাসরি ট্যাঙ্কে কয়লা আনলোড করার জন্য প্রকল্প এলাকায় দু’টি জেটির পাশাপাশি ১৭ লক্ষ টন স্টোরেজ ক্ষমতার চারটি ট্যাঙ্ক ইতোমধ্যে নির্মিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রিপেইড মিটার বসাতে তিন হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি ও ধলঘাটা ইউনিয়নে ১ হাজার ৬০৮ একর জমির ওপর স্থাপিত হচ্ছে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র। কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিএল) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
একাত্তর/এসজে
