আশায় বাঁচে মানুষ। তবে কি আশা ফুরিয়ে গেলে জীবনের সমাপ্তি! বাংলাদেশে গড়ে প্রতিদিন অন্তত ৩০ জন মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়, তাদের মধ্যে কিশোর-তরুণদের সংখ্যাটাই বেশি।
গত আটমাসে সাড়ে তিনশরও বেশি শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভিমান আর হতাশার সাথে লড়াইয়ে সহযোগিতার হাত বাড়াতে পারে, আপনজন।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. তাজুল ইসলাম বলেন, ১৫-১৯ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ৮ লাখ লোক আত্মহত্যা করেন। প্রতি ৪০ সেকেন্ডে একজন করেন। বাংলাদেশেও দিনে ২৮ থেকে ৩৫ জন আত্মহত্যা করেন। ইদানীং এ সংখ্যা আরও বেড়েছে।
অধ্যাপক ডা. তাজুল ইসলাম জানান, পারিবারিক জীবনে, সামাজিক ও শিক্ষা জীবনে অনেক বেশি চাপ থাকার কারণে শিক্ষার্থী, তরুণ এবং কিশোররা বুঝতে পারেন না তাদের কি করা উচিত। মানসিকভাবে তারা অনেকে চাপ নিতে পারেন না। সামান্য ঘটনার কারণেও অনেকে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটান।
‘প্রেমের ক্ষেত্রে, বিবাহ বা অন্য পারিবারিক ক্ষেত্রে অনেকের মধ্যে এ ধরনের প্রবণতা দেখা যায়।’
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. তাজুল ইসলাম মনে করেন আত্মহত্যা প্রবণতা কমাতে মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেয়া জরুরি।
তিনি বলেন, যারা আত্মহত্যা করেন, তারা মানসিকভাবে অন্যদের চেয়ে কিছুটা দুর্বল থাকেন। পরিবারের সদস্যরা চাইলে বিষয়টি আগে থেকে বুঝতে পারেন। এছাড়া শিক্ষক ও প্রতিবেশী এবং স্বজনরা এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
ফেসবুক লাইভে গুলি করে আত্মহত্যা করলেন নায়ক রিয়াজের শ্বশুর
একাকিত্বের ভারে মহসিনের আত্মহত্যা
জাপানে আবার বেড়েছে আত্মহত্যা, পুরুষ দ্বিগুণ