অ্যান্টার্কটিকা। ১৯৫০ সালের আগে যে মহাদেশে কোনো নারী অভিযাত্রীর পা রাখাই নিষিদ্ধ ছিল, সেই মহাদেশই ঘুরে এসেছেন বাংলাদেশের অভিযাত্রী মহুয়া রউফ। সাক্ষী হয়েছেন, বরফের বিশাল আইসবার্গে সূর্যের আলোতে অপার্থিব সৌন্দর্যের।
শুধু কি তাই? পদে পদে তিনি মুখোমুখি হয়েছেন লুকিয়ে থাকা বিপদের।
লাল সবুজ পতাকা হাতে মহুয়া রউফের এই স্পর্ধিত উচ্ছ্বাসের আড়ালে আছে হিম ঠান্ডা আইসবার্গ আর অতিকায় তিমি'র রোমাঞ্চময় অভিজ্ঞতা।
এমন রোমাঞ্চের হাতছানিতেই ৬৪ ডিগ্রী অক্ষাংশে মহুয়াদের পৌঁছানো। ১১৪ অভিযাত্রী দলের জাহাজ এমভি সি স্পিরিট এরপর থেকেই মেরুর দিকে এক একটা জায়গায় থেমে থেমে ছোট ছোট নৌকায় জাহাজ থেকে নামিয়ে দেয় অভিযাত্রীদের।
আর্জেন্টিনা থেকে যাত্রাপথে কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মহুয়া। তিনি চেয়েছিল পৃথিবীর দক্ষিণের শেষ শহর উশুইয়া দেখতে। সেই শহর থেকেই তার স্বপ্নের পরিধি বেড়ে, তিনি চান বরফের বিশাল আইসবার্গে সূর্যের আলোর অপার্থিব খেলার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়া।
এমন রোমাঞ্চের সাক্ষী হতে দুঃসাহসী নয়, হতে হয় স্রেফ সাহসী। মহুয়া বাংলার সাহসী মেয়ে।
নানা আয়োজনে উৎযাপিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস 