রাজধানীর গোপীবাগ এলাকায় বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের চারটি বগিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হতাহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নাশকতা কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি নিহতদের আত্মার মাগফিরাত করেছেন এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন।
ভোট ঠেকানোর আন্দোলনে থাকা বিএনপি-জামায়াতসহ সমমনা দলগুলোর ৪৮ ঘণ্টার হরতাল শুরুর আগের রাতে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুনের ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত শিশুসহ চার জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে আহতের সঠিক সংখ্যা এখনও জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটি কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছানোর আগেই পাওয়ার কারের পেছনের এসি ‘চ’ বগি একটি সিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
তারা জানান, আগুন টের আগুন টের পেয়ে কমলাপুরে পৌঁছানোর আগেই গোপীবাগে থামিয়ে ফেলা হয় ট্রেনটি। দ্রুত নেমে যাওয়ার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। আশেপাশের লোকজন আগুন দেখে ছুটে আসেন উদ্ধার কাজে।কিন্তু প্রচন্ড আগুনে সবাইকে বের করতে পারেননি তারা। খবর দেন ফায়ার সার্ভিসে। সাতটি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করে।
রাজধানীতে ট্রেনের পর বাসে আগুন