ভারতের সাথে এমওইউ নিয়ে অপপ্রচারে ফখরুল: আরাফাত

আপডেট : ০১ জুলাই ২০২৪, ০৪:০০ পিএম

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে সমঝোতা স্মারক সই নিয়ে নিয়ে বিএনপি-জামায়াত অপপ্রচার করছে বলে দাবি করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তথ্য প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফর করেছেন। সেখানে বেশকিছু সমঝোতা স্মারক সই করেছেন। সেগুলো নিয়ে বিভিন্ন সামাজিকমাধ্যম ও ক্ষেত্র বিশেষে কিছু মূলধারার গণমাধ্যমে বেশ কিছু ভুল তথ্য চলে এসেছে। বিএনপি ও জামায়াতের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। সর্বশেষ এসে গতকাল (রোববার) বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামও সেই অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছেন।

রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্প্রতি সই হওয়া সমঝোতা স্মারককে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ‘গোলামির নতুন সংস্করণ’ হিসেবে মন্তব্য করেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, গতকাল একটি প্রেস কনফারেন্সে ফখরুল যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা একেবারে অসত্য ও ডাহা মিথ্যা এবং সমঝোতা স্মারকের সব ধারা তিনি হয়তো পড়েননি। তিনি সব ধারা না পড়ে, না বুঝে খণ্ডিতভাবে পড়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যে কথাগুলো বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের বুক চিরে ভারতীয় ট্রেন এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যাবে। কিন্তু এ সমঝোতা স্মারকে এটিও বলা আছে, ভারতের ওপর দিয়েও বাংলাদেশের ট্রেন নেপাল ও ভুটানে যাবে। এই সমঝোতা স্মারকে বলা আছে, নেপাল ও ভুটান থেকে বাংলাদেশের ট্রেন ও তাদের ট্রেন ভারতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে এসে মোংলা কিংবা চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করবে। তারা এখন কলকাতা বন্দর ব্যবহার করে। অর্থাৎ আমাদের বন্দরগুলোকে আমরা লাভজনক করবো।

আরাফাত বলেন, তাহলে আপনি বলবেন ভারতের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি হয়ে গেল। তারা নিজেদের কলকাতা বন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশের বন্দর লাভজনক করে দিচ্ছে? বিষয়টি হচ্ছে আঞ্চলিক সহযোগিতার।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সমঝোতা স্মারকে একটা বিশাল অর্জন আছে। আপনারা দেখবেন নেপাল থেকে ভারতের মধ্য দিয়ে ভারতের যে গ্রিড লাইন, সেই গ্রিডের ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে আমরা নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট আমদানি করবো। যখন আমাদের শীত মৌসুমে বিদ্যুতের চাহিদা কম থাকবে, অতিরিক্ত উৎপাদন করব আমরা তখন রপ্তানি করতে পারবো।

তিনি আরও বলেন, এখন কী বলবেন ভারতের বুক চিরে বাংলাদেশ নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আনবে এবং বিদ্যুৎ রপ্তানি করবে? এখানে তো পুরোটাই আমরা লাভবান হবো। সেজন্য এই সমঝোতা স্মারকের বিষয়গুলো একেবারে উল্লেখ না করে এটি যে দুই দেশের জন্য লাভজনক সেটি উল্লেখ না করে খণ্ডিতভাবে তারা অপপ্রচারের স্বার্থে মিথ্যাচার করছে, তারা গোঁড়ামি চুক্তি ও নতজানু পররাষ্ট্রনীতি বলছে।

তিনি আরও বলেন, মির্জা ফখরুল ও অনেকে বলছেন এরফলে নাকি আমাদের নাকি নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পরবে। কীভাবে? ভারতের ট্রেন যে যাবে বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে সেখানে নাকি আর্মি এবং মিলিটারি সামরিক অস্ত্র নিয়ে যেতে পারে। তাতে জিওপলিটিক্যাল ক্রাইসিস তৈরি হতে পারে। অথচ এই সমঝোতা স্মারকের তিন নাম্বারে বলা আছে পরিষ্কার ভাবে। এখানে বলা আছে গুডস উইদাউট রেড ট্রাফিক। সেখানে সংজ্ঞা দেওয়া আছে ডেঞ্জারাস এবং অফেন্সিভ গুডস, ইনক্লুডিং আর্মস অ্যান্ড এক্সক্লুসিভস। অর্থাৎ এগুলো নেওয়া যাবে না। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গোটা বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে রিজিওনাল কানেকটিভিটির মাধ্যমে। গোটা বিশ্ব কানেকটিভিটির মধ্যে আসছে। আমরা কিন্তু এটা এককভাবে ভারতকে দেইনি। সেটিকে তারা বিকৃতভাবে উপস্থাপন করছে। এটা কীভাবে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি হলো? মূলত বিএনপির চিন্তা নতজানু।

কেএসএইচ
বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। এই বৈঠকটি মূলত একটি...
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বিপুল বিজয়ের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মঙ্গলবার ঢাকায় শপথ গ্রহণ...
বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) ৯ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ঢাকা ও নয়াদিল্লি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে জোর দিয়েছে। উভয় পক্ষই মনে করছে, বাংলাদেশ ও ভারতকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর