চাকরিতে যোগদানের দাবি জানিয়ে টানা ২৫ দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তরা। আন্দোলনকারীদের দাবি, অন্যায়ভাবে কেড়ে নেয়া হয়েছে তাদের চাকরি। তাই দাবি আদায়ের পরই ফিরবেন তারা। এদিকে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের বিরুদ্ধে সোমবার আপিল শুনানি নেবে হাইকোর্ট।
রোববার (২ মার্চ) পবিত্র রমজানের প্রথম দিন। তীব্র রোদে উত্তপ্ত নগরীর সড়ক। তার মাঝেই রোজা রেখে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও হাইকোর্টের আদেশে নিয়োগ স্থগিত হওয়া চাকরি প্রার্থীরা।
এনিয়ে টানা ২৫ দিনের মতো আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছেন সুপারিশপ্রাপ্তরা। দাবি আদায়ের এই আন্দোলনে কখনও পুলিশের লাঠিচার্জ আবার কখনও জলকামানের মুখে পড়তে হয়েছে তাদের।
তারা বলছেন, বৈষম্যের শিকার তারা। একই প্রজ্ঞাপনে আগের দুই ধাপে শিক্ষকরা চাকরিতে যোগদান করলেও তাদের নিয়োগ কেন আটকে দেয়া হলো প্রশ্ন তাদের।
আন্দোলনকারীরা বলছেন, অন্যায়ভাবে কেড়ে নেয়া হয়েছে তাদের চাকরি। প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি তিনটি ধাপে দেয়া হয়েছিল। প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের চূড়ান্ত নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু তৃতীয় ধাপ নিয়ে প্রহসন চলছে। তাই দাবি আদায় করেই বাড়ি ফেরার কথা জানিয়েছেন তারা।
এর আগে সুপারিশপ্রাপ্ত হননি এমন ৩১ জনের রিটের প্রেক্ষিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ছয় হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগ ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি রোববার নির্ধারিত থাকলেও, রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে তা পিছিয়ে সোমবার নির্ধারণ করেছে সর্বোচ্চ আদালত।
